• Back to the Global website
WageIndicator Logo
বাংলাদেশ এ কাজChevron
আমরা কী করিChevron
আমাদের সম্পর্কেChevron
Search
যোগাযোগ করুন
arrow
বাংলাদেশ এ কাজ
Explore this section to learn more.
ন্যূনতম মজুরী
জীবননির্বাহ মজুরি
বেতনArrow
শ্রম আইনArrow
সম্মিলিত চুক্তির ডাটাবেজArrow
স্যালারি চেক
বেতন জরীপ
বিখ্যাতদের আয়
কাজ এবং মজুরী
ক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়
বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিন
চুক্তি এবং বাতিলকরণ
পরিবারের দায়িত্বসমূহ
প্রসূতি এবং কাজ
কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা
কর্ম এবং অসুস্থতা
সামাজিক নিরাপত্তা
কর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থা
ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার
Explore all topics
সংগঠিত চুক্তিসমূহ তুলনা করুন
আমরা কী করি
Explore this section to learn more.
তথ্য ও সেবা
প্রকল্পসমূহ [ENG]
অনুষ্ঠানসমূহ [ENG]
প্রকাশনা [ENG]
সংবাদ ও গল্প [ENG]
আমাদের সম্পর্কে
Explore this section to learn more.
আমরা কারাArrow
আমাদের অংশীদাররা [ENG]
আমরা যেখানে কাজ করি [ENG]
আমাদের নীতিমালা ও পরিকল্পনা [ENG]
প্রেস রুম [ENG]
যোগাযোগ করুন [ENG]
আমাদের সঙ্গে কাজ করুন [ENG]
ইন্টার্নশিপ [ENG]
আমাদের ইতিহাস
ডেটা ব্যবহারকারীরা
Scroll left
Scroll right
  1. বাংলাদেশ
  2. বাংলাদেশ এ কাজ
  3. শ্রম আইন
  4. ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার

ট্রেডইউনিয়ন

This page was last updated on: 2025-02-04

ইউনিয়নগঠনএবংযোগদানকরারস্বাধীনতা

বাংলাদেশের সংবিধানে সমিতি বা সংঘ গঠন করার অধিকার আছে। সংবিধানের ধারা ৩৮ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিকতা বা জনশৃঙ্খলার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসংগত বিধি নিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ গঠন করার অধিকার রয়েছে। শ্রম আইন ২০০৬ এর অধীনে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের বিভিন্ন দিক রয়েছে। শ্রমিক এবং নিয়োগকর্তা উভয়েরই পূর্বের অনুমোদন ছাড়া নিজের পছন্দসই সংগঠন গঠন এবং যোগদান করার অধিকার আছে। ট্রেড ইউনিয়নদের তাদের নিজস্ব সংবিধান এবং নিয়মাবলি বিশ্লেষণ, পূর্ণ স্বাধীনতায় তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন, তাদের প্রশাসন এবং কার্যক্রম সংগঠন করা এবং কার্যক্রম প্রণয়ন করার অধিকার আছে। কোন ট্রেড ইউনিয়ন, তাদের সদস্য এবং সচিবের সাক্ষর নিয়ে, ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারে। কোন শ্রমিক কোন ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য আছে বা হতে চান অথবা অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্তরূপ সদস্য বা কর্মকর্তা হওয়ার জন্য প্ররোচিত করেন এই কারনে, অথবা কোন ট্রেড ইউনিয়নের গঠন, কার্যকলাপ বা তার প্রচারে অংশগ্রহন করে এই কারনে তাকে চাকরি হতে বরখাস্ত, ডিসচার্জ অথবা অপসারণ করা যাবে না অথবা তাকে কোন প্রকার ভয় প্রদর্শন করা যাবে না।

ইপিজেড শ্রম আইনের অধীনে, শ্রমিকদের শ্রমিক কল্যাণ সমিতি গঠন ও যোগদানের অধিকার রয়েছে। একটি সমিতি/সংঘ বা ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য, একটি সংস্থার কমপক্ষে ২০% স্থায়ী শ্রমিককে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। সাধারণ আইনের মতোই, ইপিজেড আইন, শ্রমিক কল্যাণ সমিতিতে অংশগ্রহণের জন্য একজন শ্রমিকের প্রতি বৈষম্য নিষিদ্ধ করে।

যেখানে কর্মচারী কল্যাণ সমিতি বিদ্যমান নেই বা বিলুপ্ত করা হয়েছে, সেখানে শ্রমিক এবং নিয়োগকর্তার সমান প্রতিনিধিত্ব সহ একটি অংশগ্রহণ কমিটি গঠন করা যেতে পারে। তবে, ইপিজেড শ্রম আইন অনুযায়ী, সংস্থার নির্বাহী পরিষদ গঠনের সাথে সাথে কমিটি নিজে থেকেই বিলুপ্ত হয়ে যায়।

অংশগ্রহণ কমিটির বিধানগুলি শ্রম আইন ২০০৬ এবং ইপিজেড শ্রম আইন ২০১৯ উভয় ক্ষেত্রেই পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫/২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ ( ) (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে। ২০২৫ সালের সংশোধনের আগে, BLA-তে প্রতিষ্ঠানে ইউনিয়ন নিবন্ধনের জন্য কর্মীদের অন্তত ২০% সমর্থনের প্রয়োজন ছিল, প্রতিষ্ঠানের আকার যাই হোক না কেন। এছাড়াও, এটি একটি প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ তিনটি ট্রেড ইউনিয়ন সীমাবদ্ধ করেছিল। ২০২৫ সালের সংস্কার অনুযায়ী, ২০% ফ্ল্যাট নিয়মের পরিবর্তে স্তরভিত্তিক সংখ্যাতাত্ত্বিক সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে: 1. ২০–৩০০ কর্মীর প্রতিষ্ঠানে ২০ জন সদস্য; 2. 301–500 কর্মচারী বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ৪০ জন সদস্য; 3. 501–1500 কর্মচারী বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানে 100 জন সদস্য; 4. 1501–3000 কর্মচারী বিশিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানে 300 জন সদস্য; এবং 5. অন্তত ৩০১ জন কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানে ৪০০ জন সদস্য।

এই সংশোধনীতে "ব্ল্যাকলিস্টিং" এর একটি নতুন সংজ্ঞা সংযোজন করা হয়েছে এবং স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে অতীত ইউনিয়ন কার্যকলাপ বা অন্যান্য সুরক্ষিত ভিত্তিতে শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে ব্ল্যাকলিস্ট প্রস্তুত বা ব্যবহার করা।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১৭৬-১৭৭, ১৯৫(ঘ), গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ধারা ৩৮; বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ এর ধারা ৯৪-১১৫ এবং ১২২

যৌথদরকষাকষিরস্বাধীনতা

শ্রমিক সংগঠন বা শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর ঐক্যবদ্ধভাবে মজুরী বা অন্যান্য শর্তের জন্য আলোচনা করার অধিকার শ্রম আইনের ২০০৬ সালের ২০২ অনুচ্ছেদ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। যখন কোনো প্রতিষ্ঠানে একটি মাত্র শ্রমিক সংগঠন থাকে, তখন ঐ সংগঠনকে ঐ প্রতিষ্ঠানের জন্য যৌথ দরকষাকষি এজেন্ট হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে, যদি একাধিক শ্রমিক সংগঠন প্রতিষ্ঠানে থাকে, তাহলে শ্রম পরিচালক যেকোনো সংগঠন বা নিয়োগকর্তার পক্ষ থেকে করা আবেদন অনুযায়ী, গোপন ভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ করেন কোন সংগঠনটি ঐ প্রতিষ্ঠানের যৌথ দরকষাকষি এজেন্ট হিসেবে কাজ করবে। গোপন ভোটে নির্বাচিত সংগঠনটি পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত ঐ প্রতিষ্ঠানে যৌথ দরকষাকষি এজেন্ট হিসেবে কাজ করবে। যৌথ দরকষাকষি এজেন্টের দায়িত্ব হচ্ছে নিয়োগকর্তার সাথে বা নিয়োগকর্তাদের সাথে কর্মসংস্থান, কর্মসংস্থানে অনিয়ম বা শর্তাবলী সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা করা, শ্রমিকদের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করা, আইন অনুযায়ী ধর্মঘট ঘোষণা করা এবং শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী কমিটি বা তহবিলের জন্য প্রতিনিধি মনোনীত করা। EPZ আইন অনুযায়ী, নিবন্ধিত শ্রমিক কল্যাণ সমিতির নির্বাচিত প্রতিনিধিরা (কার্যনির্বাহী পরিষদ) সেই প্রতিষ্ঠানের যৌথ দরকষাকষি এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।

বাংলাদেশে একটি জাতীয় ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ (টিসিসি) রয়েছে, যা ৬০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এই সদস্যদের মধ্যে ২০ জন করে প্রতিনিধি সরকার, শ্রমিক সংগঠন এবং নিয়োগকর্তা সংগঠন থেকে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। টিসিসি বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন শ্রম নীতি প্রণয়ন, শ্রম আইন সংশোধন, আইএলও কনভেনশন অনুমোদন ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে। সম্প্রতি সরকার প্রস্তুত পোশাক (আরএমজি) খাতের জন্য শ্রমিক, নিয়োগকর্তা এবং সরকারের প্রতিনিধিদের নিয়ে ২০ সদস্যবিশিষ্ট একটি ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ গঠন করেছে।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫/২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫-এ কার্যকর হয়। ২০২৫ সালের সংস্কার অনুযায়ী, একটি সমষ্টিগত দরকষাকষি এজেন্ট হতে পারে একটি ইউনিয়ন, ফেডারেশন বা কনফেডারেশন—এন্টারপ্রাইজ, গ্রুপ, সেক্টরাল, জাতীয় বা অন্যান্য স্তরে—যা সমষ্টিগত দরকষাকষির প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃত। এছাড়াও এতে যৌথ দরকষাকষি কাঠামোর বিধান রাখা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পক্ষগুলোকে একাধিক নিয়োগকর্তা বা সেক্টর-স্তরের দরকষাকষিতে সম্মত হওয়ার সুযোগ।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ২০২; বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ ধারা ১১৯।

ধর্মঘটকরারঅধিকার

শ্রম আইন শ্রমিকদের ধর্মঘটের অধিকারের স্বীকৃতি দেয়, তবে এটি কিছু শর্তসাপেক্ষ। ধর্মঘট ঘোষণা করার আগে ইউনিয়নে ৫১% সদস্যদের সম্মতি থাকতে হবে। যদি কোনো ধর্মঘট বা তালাবদ্ধতা শুরু হয়, উভয় পক্ষই বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য শ্রম আদালতে আবেদন করতে পারে। সরকার ৩০ দিনের বেশি চলমান কোনো ধর্মঘট নিষিদ্ধ করতে পারে এবং বিষয়টি শ্রম আদালতে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারে। কোনো পাবলিক ইউটিলিটি পরিষেবার ক্ষেত্রে, সরকার লিখিত নির্দেশনার মাধ্যমে যে কোনো সময়, ধর্মঘট বা তালাবদ্ধতা শুরু হওয়ার আগে বা পরে, তা নিষিদ্ধ করতে পারে। শিল্প কার্যক্রম শুরু করার আগে অপেক্ষার সময়কাল ৭ দিন। তবে ইপিজেড শ্রম আইনের আওতায় ধর্মঘট বা তালাবদ্ধতার জন্য নোটিশের সময়কাল ৩০ দিন।

যদি কোন প্রতিষ্ঠান নতুন স্থাপিত হয় বা বিদেশি মালিকানাধীন হয়, অথবা বিদেশি সহযোগিতায় স্থাপিত তা হলে, এইরূপ প্রতিষ্ঠান উৎপাদন শুরু হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর সময় পর্যন্ত ধর্মঘট নিষিদ্ধ থাকবে । আইনি ধর্মঘটের সময় যদি নিয়োগকর্তা নতুন করে শ্রমিককে নিয়োগ করে তবে তাকে অন্যায্য অনুশীলন হিসেবে গণ্য করা হবে, তবে ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে, যদি নিয়োগকর্তা মনে করে যে কাজ সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ হয়ে গেলে যন্ত্রপাতি বা প্রতিষ্ঠানের বিশাল ক্ষতি হবে তখন তিনি কর্মস্থলে অস্থায়ী শ্রমিক বা সীমিত সংখ্যক শ্রমিক নিয়োগের অনুমতি দিতে পারেন।

বেআইনি ধর্মঘট আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ, এবং যদি কোনো শ্রমিক বেআইনি ধর্মঘট শুরু করেন, তা চালিয়ে যান বা অন্য কোনোভাবে এর সমর্থনে কাজ করেন, তবে তিনি এক বছরের কারাদণ্ড, বা ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। ধর্মঘট বেআইনি বলে গণ্য হয় যদি বিষয়টি সমঝোতা বা সালিসের অধীনে থাকে অথবা এটি কোনো সিদ্ধান্তের আওতাভুক্ত হয়। সমঝোতার প্রচেষ্টা না করলে ধর্মঘট বৈধ নয়। শ্রম আইন ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকদের প্রতিস্থাপন নিষিদ্ধ করে এবং এটিকে অন্যায় শ্রমচর্চা হিসেবে বিবেচনা করে।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫/২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (বিএলএ) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে। ২০২৫ সালের সংস্কারের আওতায়, শিল্পগত বিরোধ, বিশেষ করে BLA-র অধীনে অধিকার সম্পর্কিত বিরোধগুলি সমাধান করার জন্য একটি নিবেদিত "বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কর্তৃপক্ষ" প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর লক্ষ্য বিরোধগুলি দ্রুত নিষ্পত্তি করা এবং আদালতের মামলা জট কমানো।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১৯৫ (৮), ২১১ এবং ২৯৪; বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ এর ধারা ১২৭।

ট্রেডইউনিয়নেরনিয়মাবলিঃ

  • বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রী সংবিধান, ৪ নভেম্বর ১৯৭২, সর্বশেষ ২০১৮ সালে সংশোধিত / Constitution of the People's Republic of Bangladesh 4th November 1972, last amended in 2018
  • বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ / Bangladesh Labour Act 2006
  • বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ / Bangladesh Labour Rules, 2015

সম্পর্কিতবিষয়গুলি

কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রসূতি এবং কাজ কাজ এবং মজুরী জোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রম ন্যূনতম মজুরী
Related pages
কাজ এবং মজুরীক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিনচুক্তি এবং বাতিলকরণনোটিশ এর প্রয়োজনীয়তা / বিচ্ছেদ মজুরীপরিবারের দায়িত্বসমূহপ্রসূতি এবং কাজচাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষাদুধপান করানোর বিরতিকর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষাকর্ম এবং অসুস্থতাঅক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধাসামাজিক নিরাপত্তাবেকারত্ব সুবিধাকর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থাকর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিকাজের ক্ষেত্রে শিশুজোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রমট্রেড ইউনিয়নের অধিকারবাণিজ্য ইউনিয়ন তথ্য
This page was last updated on: 2025-02-04

ইউনিয়নগঠনএবংযোগদানকরারস্বাধীনতা

বাংলাদেশের সংবিধানে সমিতি বা সংঘ গঠন করার অধিকার আছে। সংবিধানের ধারা ৩৮ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিকতা বা জনশৃঙ্খলার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসংগত বিধি নিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ গঠন করার অধিকার রয়েছে। শ্রম আইন ২০০৬ এর অধীনে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের বিভিন্ন দিক রয়েছে। শ্রমিক এবং নিয়োগকর্তা উভয়েরই পূর্বের অনুমোদন ছাড়া নিজের পছন্দসই সংগঠন গঠন এবং যোগদান করার অধিকার আছে। ট্রেড ইউনিয়নদের তাদের নিজস্ব সংবিধান এবং নিয়মাবলি বিশ্লেষণ, পূর্ণ স্বাধীনতায় তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন, তাদের প্রশাসন এবং কার্যক্রম সংগঠন করা এবং কার্যক্রম প্রণয়ন করার অধিকার আছে। কোন ট্রেড ইউনিয়ন, তাদের সদস্য এবং সচিবের সাক্ষর নিয়ে, ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারে। কোন শ্রমিক কোন ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য আছে বা হতে চান অথবা অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্তরূপ সদস্য বা কর্মকর্তা হওয়ার জন্য প্ররোচিত করেন এই কারনে, অথবা কোন ট্রেড ইউনিয়নের গঠন, কার্যকলাপ বা তার প্রচারে অংশগ্রহন করে এই কারনে তাকে চাকরি হতে বরখাস্ত, ডিসচার্জ অথবা অপসারণ করা যাবে না অথবা তাকে কোন প্রকার ভয় প্রদর্শন করা যাবে না।

ইপিজেড শ্রম আইনের অধীনে, শ্রমিকদের শ্রমিক কল্যাণ সমিতি গঠন ও যোগদানের অধিকার রয়েছে। একটি সমিতি/সংঘ বা ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য, একটি সংস্থার কমপক্ষে ২০% স্থায়ী শ্রমিককে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। সাধারণ আইনের মতোই, ইপিজেড আইন, শ্রমিক কল্যাণ সমিতিতে অংশগ্রহণের জন্য একজন শ্রমিকের প্রতি বৈষম্য নিষিদ্ধ করে।

যেখানে কর্মচারী কল্যাণ সমিতি বিদ্যমান নেই বা বিলুপ্ত করা হয়েছে, সেখানে শ্রমিক এবং নিয়োগকর্তার সমান প্রতিনিধিত্ব সহ একটি অংশগ্রহণ কমিটি গঠন করা যেতে পারে। তবে, ইপিজেড শ্রম আইন অনুযায়ী, সংস্থার নির্বাহী পরিষদ গঠনের সাথে সাথে কমিটি নিজে থেকেই বিলুপ্ত হয়ে যায়।

অংশগ্রহণ কমিটির বিধানগুলি শ্রম আইন ২০০৬ এবং ইপিজেড শ্রম আইন ২০১৯ উভয় ক্ষেত্রেই পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫/২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ ( ) (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে। ২০২৫ সালের সংশোধনের আগে, BLA-তে প্রতিষ্ঠানে ইউনিয়ন নিবন্ধনের জন্য কর্মীদের অন্তত ২০% সমর্থনের প্রয়োজন ছিল, প্রতিষ্ঠানের আকার যাই হোক না কেন। এছাড়াও, এটি একটি প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ তিনটি ট্রেড ইউনিয়ন সীমাবদ্ধ করেছিল। ২০২৫ সালের সংস্কার অনুযায়ী, ২০% ফ্ল্যাট নিয়মের পরিবর্তে স্তরভিত্তিক সংখ্যাতাত্ত্বিক সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে: 1. ২০–৩০০ কর্মীর প্রতিষ্ঠানে ২০ জন সদস্য; 2. 301–500 কর্মচারী বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ৪০ জন সদস্য; 3. 501–1500 কর্মচারী বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানে 100 জন সদস্য; 4. 1501–3000 কর্মচারী বিশিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানে 300 জন সদস্য; এবং 5. অন্তত ৩০১ জন কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানে ৪০০ জন সদস্য।

এই সংশোধনীতে "ব্ল্যাকলিস্টিং" এর একটি নতুন সংজ্ঞা সংযোজন করা হয়েছে এবং স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে অতীত ইউনিয়ন কার্যকলাপ বা অন্যান্য সুরক্ষিত ভিত্তিতে শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে ব্ল্যাকলিস্ট প্রস্তুত বা ব্যবহার করা।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১৭৬-১৭৭, ১৯৫(ঘ), গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ধারা ৩৮; বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ এর ধারা ৯৪-১১৫ এবং ১২২

যৌথদরকষাকষিরস্বাধীনতা

শ্রমিক সংগঠন বা শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর ঐক্যবদ্ধভাবে মজুরী বা অন্যান্য শর্তের জন্য আলোচনা করার অধিকার শ্রম আইনের ২০০৬ সালের ২০২ অনুচ্ছেদ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। যখন কোনো প্রতিষ্ঠানে একটি মাত্র শ্রমিক সংগঠন থাকে, তখন ঐ সংগঠনকে ঐ প্রতিষ্ঠানের জন্য যৌথ দরকষাকষি এজেন্ট হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে, যদি একাধিক শ্রমিক সংগঠন প্রতিষ্ঠানে থাকে, তাহলে শ্রম পরিচালক যেকোনো সংগঠন বা নিয়োগকর্তার পক্ষ থেকে করা আবেদন অনুযায়ী, গোপন ভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ করেন কোন সংগঠনটি ঐ প্রতিষ্ঠানের যৌথ দরকষাকষি এজেন্ট হিসেবে কাজ করবে। গোপন ভোটে নির্বাচিত সংগঠনটি পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত ঐ প্রতিষ্ঠানে যৌথ দরকষাকষি এজেন্ট হিসেবে কাজ করবে। যৌথ দরকষাকষি এজেন্টের দায়িত্ব হচ্ছে নিয়োগকর্তার সাথে বা নিয়োগকর্তাদের সাথে কর্মসংস্থান, কর্মসংস্থানে অনিয়ম বা শর্তাবলী সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা করা, শ্রমিকদের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করা, আইন অনুযায়ী ধর্মঘট ঘোষণা করা এবং শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী কমিটি বা তহবিলের জন্য প্রতিনিধি মনোনীত করা। EPZ আইন অনুযায়ী, নিবন্ধিত শ্রমিক কল্যাণ সমিতির নির্বাচিত প্রতিনিধিরা (কার্যনির্বাহী পরিষদ) সেই প্রতিষ্ঠানের যৌথ দরকষাকষি এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।

বাংলাদেশে একটি জাতীয় ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ (টিসিসি) রয়েছে, যা ৬০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এই সদস্যদের মধ্যে ২০ জন করে প্রতিনিধি সরকার, শ্রমিক সংগঠন এবং নিয়োগকর্তা সংগঠন থেকে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। টিসিসি বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন শ্রম নীতি প্রণয়ন, শ্রম আইন সংশোধন, আইএলও কনভেনশন অনুমোদন ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে। সম্প্রতি সরকার প্রস্তুত পোশাক (আরএমজি) খাতের জন্য শ্রমিক, নিয়োগকর্তা এবং সরকারের প্রতিনিধিদের নিয়ে ২০ সদস্যবিশিষ্ট একটি ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ গঠন করেছে।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫/২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫-এ কার্যকর হয়। ২০২৫ সালের সংস্কার অনুযায়ী, একটি সমষ্টিগত দরকষাকষি এজেন্ট হতে পারে একটি ইউনিয়ন, ফেডারেশন বা কনফেডারেশন—এন্টারপ্রাইজ, গ্রুপ, সেক্টরাল, জাতীয় বা অন্যান্য স্তরে—যা সমষ্টিগত দরকষাকষির প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃত। এছাড়াও এতে যৌথ দরকষাকষি কাঠামোর বিধান রাখা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পক্ষগুলোকে একাধিক নিয়োগকর্তা বা সেক্টর-স্তরের দরকষাকষিতে সম্মত হওয়ার সুযোগ।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ২০২; বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ ধারা ১১৯।

ধর্মঘটকরারঅধিকার

শ্রম আইন শ্রমিকদের ধর্মঘটের অধিকারের স্বীকৃতি দেয়, তবে এটি কিছু শর্তসাপেক্ষ। ধর্মঘট ঘোষণা করার আগে ইউনিয়নে ৫১% সদস্যদের সম্মতি থাকতে হবে। যদি কোনো ধর্মঘট বা তালাবদ্ধতা শুরু হয়, উভয় পক্ষই বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য শ্রম আদালতে আবেদন করতে পারে। সরকার ৩০ দিনের বেশি চলমান কোনো ধর্মঘট নিষিদ্ধ করতে পারে এবং বিষয়টি শ্রম আদালতে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারে। কোনো পাবলিক ইউটিলিটি পরিষেবার ক্ষেত্রে, সরকার লিখিত নির্দেশনার মাধ্যমে যে কোনো সময়, ধর্মঘট বা তালাবদ্ধতা শুরু হওয়ার আগে বা পরে, তা নিষিদ্ধ করতে পারে। শিল্প কার্যক্রম শুরু করার আগে অপেক্ষার সময়কাল ৭ দিন। তবে ইপিজেড শ্রম আইনের আওতায় ধর্মঘট বা তালাবদ্ধতার জন্য নোটিশের সময়কাল ৩০ দিন।

যদি কোন প্রতিষ্ঠান নতুন স্থাপিত হয় বা বিদেশি মালিকানাধীন হয়, অথবা বিদেশি সহযোগিতায় স্থাপিত তা হলে, এইরূপ প্রতিষ্ঠান উৎপাদন শুরু হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর সময় পর্যন্ত ধর্মঘট নিষিদ্ধ থাকবে । আইনি ধর্মঘটের সময় যদি নিয়োগকর্তা নতুন করে শ্রমিককে নিয়োগ করে তবে তাকে অন্যায্য অনুশীলন হিসেবে গণ্য করা হবে, তবে ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে, যদি নিয়োগকর্তা মনে করে যে কাজ সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ হয়ে গেলে যন্ত্রপাতি বা প্রতিষ্ঠানের বিশাল ক্ষতি হবে তখন তিনি কর্মস্থলে অস্থায়ী শ্রমিক বা সীমিত সংখ্যক শ্রমিক নিয়োগের অনুমতি দিতে পারেন।

বেআইনি ধর্মঘট আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ, এবং যদি কোনো শ্রমিক বেআইনি ধর্মঘট শুরু করেন, তা চালিয়ে যান বা অন্য কোনোভাবে এর সমর্থনে কাজ করেন, তবে তিনি এক বছরের কারাদণ্ড, বা ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। ধর্মঘট বেআইনি বলে গণ্য হয় যদি বিষয়টি সমঝোতা বা সালিসের অধীনে থাকে অথবা এটি কোনো সিদ্ধান্তের আওতাভুক্ত হয়। সমঝোতার প্রচেষ্টা না করলে ধর্মঘট বৈধ নয়। শ্রম আইন ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকদের প্রতিস্থাপন নিষিদ্ধ করে এবং এটিকে অন্যায় শ্রমচর্চা হিসেবে বিবেচনা করে।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫/২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (বিএলএ) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে। ২০২৫ সালের সংস্কারের আওতায়, শিল্পগত বিরোধ, বিশেষ করে BLA-র অধীনে অধিকার সম্পর্কিত বিরোধগুলি সমাধান করার জন্য একটি নিবেদিত "বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কর্তৃপক্ষ" প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর লক্ষ্য বিরোধগুলি দ্রুত নিষ্পত্তি করা এবং আদালতের মামলা জট কমানো।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১৯৫ (৮), ২১১ এবং ২৯৪; বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ এর ধারা ১২৭।

ট্রেডইউনিয়নেরনিয়মাবলিঃ

  • বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রী সংবিধান, ৪ নভেম্বর ১৯৭২, সর্বশেষ ২০১৮ সালে সংশোধিত / Constitution of the People's Republic of Bangladesh 4th November 1972, last amended in 2018
  • বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ / Bangladesh Labour Act 2006
  • বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ / Bangladesh Labour Rules, 2015

সম্পর্কিতবিষয়গুলি

কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রসূতি এবং কাজ কাজ এবং মজুরী জোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রম ন্যূনতম মজুরী
Related pages
কাজ এবং মজুরীক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিনচুক্তি এবং বাতিলকরণনোটিশ এর প্রয়োজনীয়তা / বিচ্ছেদ মজুরীপরিবারের দায়িত্বসমূহপ্রসূতি এবং কাজচাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষাদুধপান করানোর বিরতিকর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষাকর্ম এবং অসুস্থতাঅক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধাসামাজিক নিরাপত্তাবেকারত্ব সুবিধাকর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থাকর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিকাজের ক্ষেত্রে শিশুজোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রমট্রেড ইউনিয়নের অধিকারবাণিজ্য ইউনিয়ন তথ্য
Cite this page: © WageIndicator 2026  –  বাংলাদেশ  –  ট্রেডইউনিয়নএরসন্ধান,যৌথদরকষাকষি,সিবিএ - বাংলাদেশ
FacebookLinkedin
WageIndicator সম্পর্কে
WageIndicator দলের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আমাদের কাজ সম্পর্কে আরও জানুন।
আরও পড়ুন আমাদের সম্পর্কে পৃষ্ঠায় যান
arrow
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যোগাযোগ ফর্মে যান
arrow
WageIndicator Logo
WageIndicator বাংলাদেশ
የሚሰሩ መረጃዎች
WageIndicator Foundation একটি বিশ্বব্যাপী, স্বতন্ত্র, অলাভজনক সংস্থা যা বিশ্বজুড়েন্যূনতম মজুরি, জীবননির্বাহ মজুরি, জীবননির্বাহ হার এবং জীবননির্বাহ আয়, চাকুরি ও বেতন, শ্রম আইন, যৌথ চুক্তি, গিগ ওয়ার্ক (Gig Work) এবং প্ল্যাটফর্ম অর্থনীতি (Platform Economy) সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, তুলনা এবং প্রচার করে। আমরা ২০০০ সালে যাত্রা শুরু করেছি এবং বর্তমানে ২০৮টি দেশ ও অঞ্চলে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
কর্ম ও তথ্য
ন্যূনতম মজুরি
জীবননির্বাহ মজুরি
স্যালারি চেক
শ্রম আইন
যৌথ চুক্তি
তথ্য ও সেবা
সর্বশেষ আপডেটসমূহ
প্রকল্পসমূহ
ইভেন্টসমূহ
সংবাদ
ህትመቶች
আমাদের সম্পর্কে
আমাদের পরিচয়
আমাদের সাথে কাজ করুন
আমাদের নীতিমালা ও পরিকল্পনা
প্রেস রুম
FacebookInstagramLinkedinYoutube
Privacy PolicyCookies StatementWebsite Terms & ConditionsAccessibilityPowered by the WageIndicator Foundation