• Back to the Global website
WageIndicator Logo
বাংলাদেশ এ কাজChevron
আমরা কী করিChevron
আমাদের সম্পর্কেChevron
Search
যোগাযোগ করুন
arrow
বাংলাদেশ এ কাজ
Explore this section to learn more.
ন্যূনতম মজুরী
জীবননির্বাহ মজুরি
বেতনArrow
শ্রম আইনArrow
সম্মিলিত চুক্তির ডাটাবেজArrow
স্যালারি চেক
বেতন জরীপ
বিখ্যাতদের আয়
কাজ এবং মজুরী
ক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়
বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিন
চুক্তি এবং বাতিলকরণ
পরিবারের দায়িত্বসমূহ
প্রসূতি এবং কাজ
কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা
কর্ম এবং অসুস্থতা
সামাজিক নিরাপত্তা
কর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থা
ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার
Explore all topics
সংগঠিত চুক্তিসমূহ তুলনা করুন
আমরা কী করি
Explore this section to learn more.
তথ্য ও সেবা
প্রকল্পসমূহ [ENG]
অনুষ্ঠানসমূহ [ENG]
প্রকাশনা [ENG]
সংবাদ ও গল্প [ENG]
আমাদের সম্পর্কে
Explore this section to learn more.
আমরা কারাArrow
আমাদের অংশীদাররা [ENG]
আমরা যেখানে কাজ করি [ENG]
আমাদের নীতিমালা ও পরিকল্পনা [ENG]
প্রেস রুম [ENG]
যোগাযোগ করুন [ENG]
আমাদের সঙ্গে কাজ করুন [ENG]
ইন্টার্নশিপ [ENG]
আমাদের ইতিহাস
ডেটা ব্যবহারকারীরা
Scroll left
Scroll right
  1. বাংলাদেশ
  2. বাংলাদেশ এ কাজ
  3. শ্রম আইন
  4. প্রসূতি এবং কাজ

প্রসূতি এবং কাজ

This page was last updated on: 2025-02-04

প্রসূতিকালীনছুটি

যেকোন মহিলা শ্রমিকের ১৬ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রসূতিকালীন ছুটি নেওয়ার অধিকার আছে (৮ সপ্তাহ প্রাক গর্ভকালীন এবং ৮ সপ্তাহ পরবর্তী গর্ভকালীন পর্যন্ত পারিশ্রমিক সহ ছুটি দেওয়ার নিয়ম আছে)। একজন গর্ভবতী নারী শ্রমিককে তার শিশু জন্মদানের প্রত্যাশিত তারিখের ৮ সপ্তাহ পূর্বে বা প্রত্যাশিত তারিখের ৭ দিনের মধ্যে জন্মদান করেছেন তা জানিয়ে তার নিয়োগকর্তার কাছে মৌখিক বা লিখিত নোটিশ দিতে হবে। কোন মালিক তার প্রতিষ্ঠানে সজ্ঞানে কোন নারী শ্রমিককে তার সন্তান প্রসব তারিখের পরবর্তী ৮ সপ্তাহের মধ্যে কাজ করাতে পারবে না এবং কোন নারী নিজেও কোন প্রতিষ্ঠানে প্রসবের ৮ সপ্তাহের মধ্যে কোন প্রতিষ্ঠানে কাজের জন্য নিয়োগ নিতে পারবে না। গর্ভাবস্থায় তৈরি কোন অসুস্থতা বা জটিলতার জন্য কোন ধরণের ছুটির অধিকার নেই। একইভাবে একাধিক জন্মদানের ক্ষেত্রে প্রসূতিকালীন ছুটির কোন প্রসারন নেই। প্রসূতিকালীন ছুটির জন্য অনুরূপ বিধানবলী EPZ শ্রম আইন ২০১৯ এ রয়েছে।

অধিকন্তু, শ্রম আইন, ২০২২ এর সংশোধনী মোতাবেক, কোন নারী শ্রমিক যদি তার অনুমিত প্রসবের তারিখ থেকে পরবর্তী আট সপ্তাহের পরিকল্পিত সময়সূচির পরে প্রসব করেন, তাহলে সেই দিনগুলিকে প্রসব-উত্তর ছুটির সময়কালের মধ্যে ধরতে হবে। একজন নারী শ্রমিক তার প্রসবের পর অন্তত আট সপ্তাহ অবধি প্রসব-পরবর্তী প্রসূতিকালীন ছুটি নিতে পারেন, এমনকি তিনি প্রসবের আগে তার গর্ভবস্থার কথা না জানিয়ে থাকলেও।

দ্বিতীয়ত, পরিকল্পিত প্রসূতিকালীন ছুটির তারিখের আগে কোনো নারী শ্রমিকের যদি গর্ভপাত হয়ে যায়, তাহলে তিনি স্বাস্থ্যের কারণে চার সপ্তাহের ছুটি পাবার অধিকারী হবেন; তার মজুরী থেকে কোন অর্থ কর্তন করা যাবে না, এবং তার প্রাপ্য অন্য কোন ছুটির সাথে সেই ছুটির দিনগুলোর যোগ করা যাবে না। নতুন বিধিমালা মাতৃত্ব সুবিধার হিসাব নির্ধারণকেও স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছে এবং এই নিয়ম অনুসারে মাতৃত্ব সুবিধার পরিমাণ থেকে পেনশন তহবিলের অর্থ কর্তন করা যাবে।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫/২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে। ২০২৫ সালের সংস্কার অনুযায়ী মাতৃত্বকালীন ছুটি ১১২ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২० দিনে করা হয়েছে, যা প্রসবের আগে ৬০ দিন এবং পরে ৬০ দিন হিসেবে বিন্যস্ত।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬-এর § ৪৫ এবং ৪৭; SRO নং ২৮৪- আইন/২০২২, “বাংলাদেশের শ্রম আইন ২০১৫-র সংশোধনী”; বাংলাদেশের EPZ শ্রম আইন ২০১৯-এর §২৯ (১ এবং ২)

বেতন

শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী, একজন মহিলার ১৬ সপ্তাহের প্রসবকালীন ছুটির মজুরী তার পূর্ববর্তী দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক মজুরীর গড় হারে পাওয়ার অধিকার রাখে। একজন শ্রমিককে এজন্য তার নিয়োগকর্তার অধীনে সন্তান প্রসবের পূর্বে ন্যূনতম ৬ মাস কাজ করতে হবে। নিয়োগকর্তা মাতৃত্ব সুবিধা প্রদান করতে বাধ্য নয় যতক্ষণ না শ্রমিক একটি নিবন্ধিত চিকিৎসক দ্বারা স্বাক্ষরিত সনদ প্রদান করেন, যা তার প্রত্যাশিত প্রসবকাল বা প্রমাণ দেয় যে তিনি একটি শিশুকে জন্ম দিয়েছেন।উপরন্তু কোন নারী শ্রমিককে এই সকল সুবিধা প্রদান করা হবে না যদি প্রসবকালীন সময়ে তার পূর্বের দুই বা তার অধিক সন্তান জীবিত থাকে (যদিও সে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বিনা মজুরীতে ছুটির অধিকার রাখে)। যেকোনো নারী শ্রমিক সম্ভাব্য প্রসব তারিখের পূর্বের ৮ সপ্তাহ এবং প্রসবের পরবর্তী ৮ সপ্তাহের মধ্যে প্রসূতিকালীন সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখে। একটি প্রতিষ্ঠানে প্রসূতিকালীন সুবিধা নিয়োগকর্তা দ্বারা প্রদান করা হয় এবং এটি প্রতিষ্ঠানের সকল নারী শ্রমিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। প্রসূতিকালীন সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন মহিলা সন্তান প্রসবকালে অথবা তার পরবর্তী ৮ সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুবরণ করলে, নিয়োগকর্তা, যদি সেই শিশুটি বেঁচে যায় সেই শিশুর তত্ত্বাবধানকারীকে এবং যদি শিশুটি জীবিত না থাকে তাহলে নারী শ্রমিক দ্বারা মনোনীত ব্যক্তিকে অথবা মনোনীত ব্যক্তি না থাকলে মৃত নারী শ্রমিকের আইনী প্রতিনিধিকে সেই প্রসুতিকালীন সুবিধা প্রদান করতে হবে। অবশ্য যদি কোন নারী শ্রমিক সন্তান জন্মদান করার পূর্বে মারা যায়, তাহলে, সেই নারী শ্রমিকের পূর্বের সময় থেকে মৃত্যুর তারিখ পর্যন্ত সুবিধা প্রদান করবে তবে ইতিমধ্যে প্রসূতিকালীন সুবিধা হিসেবে যা প্রদান করা হয়েছে নিয়োগকর্তা তা ফেরতযোগ্য নিতে পারবে না।

প্রসূতিকালীন ছুটির জন্য নারী শ্রমিকদের অর্থপ্রদান সংক্রান্ত অনুরূপ বিধানবলী EPZ শ্রম আইন ২০১৯ এ রয়েছে।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ৪৬(১-২), ৪৭(৪-৫) এবং ৪৯; বাংলাদেশের EPZ শ্রম আইন ২০১৯-এর §৩০-৩৩।

বিনামুল্যেচিকিৎসাসেবা

শ্রম আইন ২০০৬-এ কোনো চিকিৎসা সুবিধার অধিকার নির্ধারণ করা হয়নি।

প্রসূতি এবং কাজের উপর বিধানসমূহঃ

  • বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ / Bangladesh Labour Act 2006
  • বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ / Bangladesh Labour Rules, 2015
  • বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ / Bangladesh EPZ Labour Act 2019
  • SRO নং ২৮৪ আইন/২০২২ “বাংলাদেশের শ্রম আইন ২০১৫ এর সংশোধনী” / SRO No. 284- Law/2022, “Amendment of Bangladesh Labour Rule 2015”

সম্পর্কিতবিষয়গুলি

চাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষা দুধপান করানোর বিরতি পরিবারের দায়িত্বসমূহ কর্ম এবং অসুস্থতা চুক্তি এবং বাতিলকরণ সম্মিলিত চুক্তির ডাটাবেজ
Related pages
কাজ এবং মজুরীক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিনচুক্তি এবং বাতিলকরণনোটিশ এর প্রয়োজনীয়তা / বিচ্ছেদ মজুরীপরিবারের দায়িত্বসমূহপ্রসূতি এবং কাজচাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষাদুধপান করানোর বিরতিকর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষাকর্ম এবং অসুস্থতাঅক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধাসামাজিক নিরাপত্তাবেকারত্ব সুবিধাকর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থাকর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিকাজের ক্ষেত্রে শিশুজোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রমট্রেড ইউনিয়নের অধিকারবাণিজ্য ইউনিয়ন তথ্য
This page was last updated on: 2025-02-04

প্রসূতিকালীনছুটি

যেকোন মহিলা শ্রমিকের ১৬ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রসূতিকালীন ছুটি নেওয়ার অধিকার আছে (৮ সপ্তাহ প্রাক গর্ভকালীন এবং ৮ সপ্তাহ পরবর্তী গর্ভকালীন পর্যন্ত পারিশ্রমিক সহ ছুটি দেওয়ার নিয়ম আছে)। একজন গর্ভবতী নারী শ্রমিককে তার শিশু জন্মদানের প্রত্যাশিত তারিখের ৮ সপ্তাহ পূর্বে বা প্রত্যাশিত তারিখের ৭ দিনের মধ্যে জন্মদান করেছেন তা জানিয়ে তার নিয়োগকর্তার কাছে মৌখিক বা লিখিত নোটিশ দিতে হবে। কোন মালিক তার প্রতিষ্ঠানে সজ্ঞানে কোন নারী শ্রমিককে তার সন্তান প্রসব তারিখের পরবর্তী ৮ সপ্তাহের মধ্যে কাজ করাতে পারবে না এবং কোন নারী নিজেও কোন প্রতিষ্ঠানে প্রসবের ৮ সপ্তাহের মধ্যে কোন প্রতিষ্ঠানে কাজের জন্য নিয়োগ নিতে পারবে না। গর্ভাবস্থায় তৈরি কোন অসুস্থতা বা জটিলতার জন্য কোন ধরণের ছুটির অধিকার নেই। একইভাবে একাধিক জন্মদানের ক্ষেত্রে প্রসূতিকালীন ছুটির কোন প্রসারন নেই। প্রসূতিকালীন ছুটির জন্য অনুরূপ বিধানবলী EPZ শ্রম আইন ২০১৯ এ রয়েছে।

অধিকন্তু, শ্রম আইন, ২০২২ এর সংশোধনী মোতাবেক, কোন নারী শ্রমিক যদি তার অনুমিত প্রসবের তারিখ থেকে পরবর্তী আট সপ্তাহের পরিকল্পিত সময়সূচির পরে প্রসব করেন, তাহলে সেই দিনগুলিকে প্রসব-উত্তর ছুটির সময়কালের মধ্যে ধরতে হবে। একজন নারী শ্রমিক তার প্রসবের পর অন্তত আট সপ্তাহ অবধি প্রসব-পরবর্তী প্রসূতিকালীন ছুটি নিতে পারেন, এমনকি তিনি প্রসবের আগে তার গর্ভবস্থার কথা না জানিয়ে থাকলেও।

দ্বিতীয়ত, পরিকল্পিত প্রসূতিকালীন ছুটির তারিখের আগে কোনো নারী শ্রমিকের যদি গর্ভপাত হয়ে যায়, তাহলে তিনি স্বাস্থ্যের কারণে চার সপ্তাহের ছুটি পাবার অধিকারী হবেন; তার মজুরী থেকে কোন অর্থ কর্তন করা যাবে না, এবং তার প্রাপ্য অন্য কোন ছুটির সাথে সেই ছুটির দিনগুলোর যোগ করা যাবে না। নতুন বিধিমালা মাতৃত্ব সুবিধার হিসাব নির্ধারণকেও স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছে এবং এই নিয়ম অনুসারে মাতৃত্ব সুবিধার পরিমাণ থেকে পেনশন তহবিলের অর্থ কর্তন করা যাবে।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫/২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে। ২০২৫ সালের সংস্কার অনুযায়ী মাতৃত্বকালীন ছুটি ১১২ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২० দিনে করা হয়েছে, যা প্রসবের আগে ৬০ দিন এবং পরে ৬০ দিন হিসেবে বিন্যস্ত।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬-এর § ৪৫ এবং ৪৭; SRO নং ২৮৪- আইন/২০২২, “বাংলাদেশের শ্রম আইন ২০১৫-র সংশোধনী”; বাংলাদেশের EPZ শ্রম আইন ২০১৯-এর §২৯ (১ এবং ২)

বেতন

শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী, একজন মহিলার ১৬ সপ্তাহের প্রসবকালীন ছুটির মজুরী তার পূর্ববর্তী দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক মজুরীর গড় হারে পাওয়ার অধিকার রাখে। একজন শ্রমিককে এজন্য তার নিয়োগকর্তার অধীনে সন্তান প্রসবের পূর্বে ন্যূনতম ৬ মাস কাজ করতে হবে। নিয়োগকর্তা মাতৃত্ব সুবিধা প্রদান করতে বাধ্য নয় যতক্ষণ না শ্রমিক একটি নিবন্ধিত চিকিৎসক দ্বারা স্বাক্ষরিত সনদ প্রদান করেন, যা তার প্রত্যাশিত প্রসবকাল বা প্রমাণ দেয় যে তিনি একটি শিশুকে জন্ম দিয়েছেন।উপরন্তু কোন নারী শ্রমিককে এই সকল সুবিধা প্রদান করা হবে না যদি প্রসবকালীন সময়ে তার পূর্বের দুই বা তার অধিক সন্তান জীবিত থাকে (যদিও সে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বিনা মজুরীতে ছুটির অধিকার রাখে)। যেকোনো নারী শ্রমিক সম্ভাব্য প্রসব তারিখের পূর্বের ৮ সপ্তাহ এবং প্রসবের পরবর্তী ৮ সপ্তাহের মধ্যে প্রসূতিকালীন সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখে। একটি প্রতিষ্ঠানে প্রসূতিকালীন সুবিধা নিয়োগকর্তা দ্বারা প্রদান করা হয় এবং এটি প্রতিষ্ঠানের সকল নারী শ্রমিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। প্রসূতিকালীন সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন মহিলা সন্তান প্রসবকালে অথবা তার পরবর্তী ৮ সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুবরণ করলে, নিয়োগকর্তা, যদি সেই শিশুটি বেঁচে যায় সেই শিশুর তত্ত্বাবধানকারীকে এবং যদি শিশুটি জীবিত না থাকে তাহলে নারী শ্রমিক দ্বারা মনোনীত ব্যক্তিকে অথবা মনোনীত ব্যক্তি না থাকলে মৃত নারী শ্রমিকের আইনী প্রতিনিধিকে সেই প্রসুতিকালীন সুবিধা প্রদান করতে হবে। অবশ্য যদি কোন নারী শ্রমিক সন্তান জন্মদান করার পূর্বে মারা যায়, তাহলে, সেই নারী শ্রমিকের পূর্বের সময় থেকে মৃত্যুর তারিখ পর্যন্ত সুবিধা প্রদান করবে তবে ইতিমধ্যে প্রসূতিকালীন সুবিধা হিসেবে যা প্রদান করা হয়েছে নিয়োগকর্তা তা ফেরতযোগ্য নিতে পারবে না।

প্রসূতিকালীন ছুটির জন্য নারী শ্রমিকদের অর্থপ্রদান সংক্রান্ত অনুরূপ বিধানবলী EPZ শ্রম আইন ২০১৯ এ রয়েছে।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ৪৬(১-২), ৪৭(৪-৫) এবং ৪৯; বাংলাদেশের EPZ শ্রম আইন ২০১৯-এর §৩০-৩৩।

বিনামুল্যেচিকিৎসাসেবা

শ্রম আইন ২০০৬-এ কোনো চিকিৎসা সুবিধার অধিকার নির্ধারণ করা হয়নি।

প্রসূতি এবং কাজের উপর বিধানসমূহঃ

  • বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ / Bangladesh Labour Act 2006
  • বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ / Bangladesh Labour Rules, 2015
  • বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ / Bangladesh EPZ Labour Act 2019
  • SRO নং ২৮৪ আইন/২০২২ “বাংলাদেশের শ্রম আইন ২০১৫ এর সংশোধনী” / SRO No. 284- Law/2022, “Amendment of Bangladesh Labour Rule 2015”

সম্পর্কিতবিষয়গুলি

চাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষা দুধপান করানোর বিরতি পরিবারের দায়িত্বসমূহ কর্ম এবং অসুস্থতা চুক্তি এবং বাতিলকরণ সম্মিলিত চুক্তির ডাটাবেজ
Related pages
কাজ এবং মজুরীক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিনচুক্তি এবং বাতিলকরণনোটিশ এর প্রয়োজনীয়তা / বিচ্ছেদ মজুরীপরিবারের দায়িত্বসমূহপ্রসূতি এবং কাজচাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষাদুধপান করানোর বিরতিকর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষাকর্ম এবং অসুস্থতাঅক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধাসামাজিক নিরাপত্তাবেকারত্ব সুবিধাকর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থাকর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিকাজের ক্ষেত্রে শিশুজোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রমট্রেড ইউনিয়নের অধিকারবাণিজ্য ইউনিয়ন তথ্য
Cite this page: © WageIndicator 2026  –  বাংলাদেশ  –  প্রসূতিকালীনছুটি,গর্ভাবস্থাএবংমজুরি - বাংলাদেশ
FacebookLinkedin
WageIndicator সম্পর্কে
WageIndicator দলের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আমাদের কাজ সম্পর্কে আরও জানুন।
আরও পড়ুন আমাদের সম্পর্কে পৃষ্ঠায় যান
arrow
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যোগাযোগ ফর্মে যান
arrow
WageIndicator Logo
WageIndicator বাংলাদেশ
የሚሰሩ መረጃዎች
WageIndicator Foundation একটি বিশ্বব্যাপী, স্বতন্ত্র, অলাভজনক সংস্থা যা বিশ্বজুড়েন্যূনতম মজুরি, জীবননির্বাহ মজুরি, জীবননির্বাহ হার এবং জীবননির্বাহ আয়, চাকুরি ও বেতন, শ্রম আইন, যৌথ চুক্তি, গিগ ওয়ার্ক (Gig Work) এবং প্ল্যাটফর্ম অর্থনীতি (Platform Economy) সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, তুলনা এবং প্রচার করে। আমরা ২০০০ সালে যাত্রা শুরু করেছি এবং বর্তমানে ২০৮টি দেশ ও অঞ্চলে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
কর্ম ও তথ্য
ন্যূনতম মজুরি
জীবননির্বাহ মজুরি
স্যালারি চেক
শ্রম আইন
যৌথ চুক্তি
তথ্য ও সেবা
সর্বশেষ আপডেটসমূহ
প্রকল্পসমূহ
ইভেন্টসমূহ
সংবাদ
ህትመቶች
আমাদের সম্পর্কে
আমাদের পরিচয়
আমাদের সাথে কাজ করুন
আমাদের নীতিমালা ও পরিকল্পনা
প্রেস রুম
FacebookInstagramLinkedinYoutube
Privacy PolicyCookies StatementWebsite Terms & ConditionsAccessibilityPowered by the WageIndicator Foundation