• Back to the Global website
WageIndicator Logo
বাংলাদেশ এ কাজChevron
আমরা কী করিChevron
আমাদের সম্পর্কেChevron
Search
যোগাযোগ করুন
arrow
বাংলাদেশ এ কাজ
Explore this section to learn more.
ন্যূনতম মজুরী
জীবননির্বাহ মজুরি
বেতনArrow
শ্রম আইনArrow
সম্মিলিত চুক্তির ডাটাবেজArrow
স্যালারি চেক
বেতন জরীপ
বিখ্যাতদের আয়
কাজ এবং মজুরী
ক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়
বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিন
চুক্তি এবং বাতিলকরণ
পরিবারের দায়িত্বসমূহ
প্রসূতি এবং কাজ
কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা
কর্ম এবং অসুস্থতা
সামাজিক নিরাপত্তা
কর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থা
ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার
Explore all topics
সংগঠিত চুক্তিসমূহ তুলনা করুন
আমরা কী করি
Explore this section to learn more.
তথ্য ও সেবা
প্রকল্পসমূহ [ENG]
অনুষ্ঠানসমূহ [ENG]
প্রকাশনা [ENG]
সংবাদ ও গল্প [ENG]
আমাদের সম্পর্কে
Explore this section to learn more.
আমরা কারাArrow
আমাদের অংশীদাররা [ENG]
আমরা যেখানে কাজ করি [ENG]
আমাদের নীতিমালা ও পরিকল্পনা [ENG]
প্রেস রুম [ENG]
যোগাযোগ করুন [ENG]
আমাদের সঙ্গে কাজ করুন [ENG]
ইন্টার্নশিপ [ENG]
আমাদের ইতিহাস
ডেটা ব্যবহারকারীরা
Scroll left
Scroll right
  1. বাংলাদেশ
  2. বাংলাদেশ এ কাজ
  3. শ্রম আইন
  4. কর্ম এবং অসুস্থতা
  5. অক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধা

কাজেআঘাতপ্রাপ্তহলেতারপরিবর্তেসুবিধা

This page was last updated on: 2025-02-04

অক্ষমতা/কাজেআহতহওয়ারজন্যসুবিধা

পরিণতির উপর নির্ভর করে কর্মক্ষেত্র জনিত আঘাত কে শ্রেণীবিভাগ করা যায় যেগুলো হলঃ ১) স্থায়ী ভাবে সম্পূর্ণ অক্ষমতা ২)স্থায়ীভাবে আংশিক অক্ষমতা ৩)সাময়িক অক্ষমতা ৪)অধিক আঘাতের কারনে কোন শ্রমিকের মৃত্যুবরণ।

সম্পূর্ণভাবে (১০০%) অক্ষমতার ক্ষেত্রে, শ্রমিকদেরকে ২,৫০,০০টাকা পাওয়ার অধিকার আছে অথচ আংশিক অক্ষমতার ক্ষেত্রে, পূর্বে সে কোন পরিমানে অর্থ উপার্জন থেকে বঞ্চিত থাকছে তা মূল্যায়ন করে শ্রমিককে তার সুবিধা প্রদান করা হয়।

আংশিক অক্ষমতার ক্ষেত্রে, প্রথম ২ মাসে ১০০% সুবিধা পাবে বীমা উপার্জন থেকে, পরবর্তী ২ মাসে ৬৬.৭%, এবং পরের মাসগুলোতে অথবা ১ বছর পর্যন্ত যেটি কম সময়ের হবে, অক্ষমতার জন্য ৫০% আয় পেয়ে থাকবে (প্রথম ৩ দিনকে অপেক্ষাকাল ধরে নিতে হবে)।

কোন ক্ষেত্রে যদি পেশাগত দুর্ঘটনা বা রোগের কারনে শ্রমিকের মৃত্যু হয়ে যায়, তাহলে প্রতি বছর সেবার জন্য বীমা সুরক্ষিত শ্রমিককে ৩০ দিনের মজুরি বা ২,০০,০০০টাকার পরিমান, যেটি অধিক হয় তা, শ্রম আদালত দ্বারা একটি নির্ধারিত অনুপাতে জীবিত নির্ভরশীলদের দেওয়া হয়। যদি পূর্বে কোন পো্ষ্য মনোনীত না হয়ে থাকে তবে এইধরনের পারিশ্রমিক অন্য নির্ভরশীলদের মাঝে ভাগ করার জন্য শ্রম আদালতে জমা দিতে হবে।

পেশাগত দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে EPZ শ্রম আইন ২০১৯ এ অনুরূপ বিধানবলী রয়েছে।

EPZ শ্রম আইনে একজন কর্মীকে ক্ষতিপূরণ দেবার ব্যাপারেও অতিরিক্ত বিধানবলী রয়েছে। একজন কর্মী যদি কোন প্রতিষ্ঠানে এক বছরের বেশি সময় কাজ করেন এবং তার কাজের সঙ্গে যুক্ত নয় এমন কোন কারণে মারা যান, তাহলে নিয়োগকর্তাকে প্রতিটি কাজের বছরের জন্য ৩০ দিনের বেতন বা ৬ মাসের বেশি সময়ের আংশিক বেতন ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে।

কাজে থাকাকালীন বা কাজে হওয়া দুর্ঘটনার জন্য মৃত্যু হলে, ক্ষতিপূরণ কাজের প্রতিটি বছরের জন্য ৪৫ দিনের বেতন বা ৬ মাসের বেশি সময়ের আংশিক বেতন ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে।

ক্ষতিপূরণ অবশ্যই মৃত কর্মীর মনোনীত ব্যক্তিকে দিতে হবে। এই ধরনে মনোনীত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে, অর্থ নির্ভরশীল ব্যক্তিকে/ব্যক্তিদের দিতে হবে।

পেশাগত কারণে হওয়া দীর্ঘস্থায়ী রোগের ক্ষেত্রে, অক্ষমতাজনিত ক্ষতিপূরণ অক্ষম থাকাকালীন সময় জুড়ে মাসিক বেতনের অর্ধেক (৫০%) হিসেবে দিতে হবে, তবে সেই সময়কাল যেন ২ বছরের বেশি না হয়।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫/২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫-এ কার্যকর হয়। ২০২৫ সালের সংস্কারের আওতায় দুর্ঘটনার একটি বিস্তৃত সংজ্ঞা সংযোজন করা হয়েছে, যাতে কর্মস্থলে বা কর্মস্থলের বাইরে কাজ করার সময় বা নিয়োগকর্তার নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় ঘটে যাওয়া শারীরিক আঘাত, মানসিক আঘাত এবং মৃত্যু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংস্কারটি একটি 'কর্মসংস্থান আঘাত তহবিল' গঠন বাধ্যতামূলক করেছে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত বিধিমালায় উল্লেখ থাকবে, যেখানে এই তহবিলের আওতাভুক্ত খাতসমূহ নির্দিষ্ট করা হবে।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬-এর §১৫, ১৫১; বাংলাদেশের EPZ শ্রম আইন, ২০১৯-এর §১৮, ৭৩-৭৪।

সম্পর্কিতবিষয়গুলি

কর্ম এবং অসুস্থতা
Related pages
কাজ এবং মজুরীক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিনচুক্তি এবং বাতিলকরণনোটিশ এর প্রয়োজনীয়তা / বিচ্ছেদ মজুরীপরিবারের দায়িত্বসমূহপ্রসূতি এবং কাজচাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষাদুধপান করানোর বিরতিকর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষাকর্ম এবং অসুস্থতাঅক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধাসামাজিক নিরাপত্তাবেকারত্ব সুবিধাকর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থাকর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিকাজের ক্ষেত্রে শিশুজোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রমট্রেড ইউনিয়নের অধিকারবাণিজ্য ইউনিয়ন তথ্য
This page was last updated on: 2025-02-04

অক্ষমতা/কাজেআহতহওয়ারজন্যসুবিধা

পরিণতির উপর নির্ভর করে কর্মক্ষেত্র জনিত আঘাত কে শ্রেণীবিভাগ করা যায় যেগুলো হলঃ ১) স্থায়ী ভাবে সম্পূর্ণ অক্ষমতা ২)স্থায়ীভাবে আংশিক অক্ষমতা ৩)সাময়িক অক্ষমতা ৪)অধিক আঘাতের কারনে কোন শ্রমিকের মৃত্যুবরণ।

সম্পূর্ণভাবে (১০০%) অক্ষমতার ক্ষেত্রে, শ্রমিকদেরকে ২,৫০,০০টাকা পাওয়ার অধিকার আছে অথচ আংশিক অক্ষমতার ক্ষেত্রে, পূর্বে সে কোন পরিমানে অর্থ উপার্জন থেকে বঞ্চিত থাকছে তা মূল্যায়ন করে শ্রমিককে তার সুবিধা প্রদান করা হয়।

আংশিক অক্ষমতার ক্ষেত্রে, প্রথম ২ মাসে ১০০% সুবিধা পাবে বীমা উপার্জন থেকে, পরবর্তী ২ মাসে ৬৬.৭%, এবং পরের মাসগুলোতে অথবা ১ বছর পর্যন্ত যেটি কম সময়ের হবে, অক্ষমতার জন্য ৫০% আয় পেয়ে থাকবে (প্রথম ৩ দিনকে অপেক্ষাকাল ধরে নিতে হবে)।

কোন ক্ষেত্রে যদি পেশাগত দুর্ঘটনা বা রোগের কারনে শ্রমিকের মৃত্যু হয়ে যায়, তাহলে প্রতি বছর সেবার জন্য বীমা সুরক্ষিত শ্রমিককে ৩০ দিনের মজুরি বা ২,০০,০০০টাকার পরিমান, যেটি অধিক হয় তা, শ্রম আদালত দ্বারা একটি নির্ধারিত অনুপাতে জীবিত নির্ভরশীলদের দেওয়া হয়। যদি পূর্বে কোন পো্ষ্য মনোনীত না হয়ে থাকে তবে এইধরনের পারিশ্রমিক অন্য নির্ভরশীলদের মাঝে ভাগ করার জন্য শ্রম আদালতে জমা দিতে হবে।

পেশাগত দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে EPZ শ্রম আইন ২০১৯ এ অনুরূপ বিধানবলী রয়েছে।

EPZ শ্রম আইনে একজন কর্মীকে ক্ষতিপূরণ দেবার ব্যাপারেও অতিরিক্ত বিধানবলী রয়েছে। একজন কর্মী যদি কোন প্রতিষ্ঠানে এক বছরের বেশি সময় কাজ করেন এবং তার কাজের সঙ্গে যুক্ত নয় এমন কোন কারণে মারা যান, তাহলে নিয়োগকর্তাকে প্রতিটি কাজের বছরের জন্য ৩০ দিনের বেতন বা ৬ মাসের বেশি সময়ের আংশিক বেতন ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে।

কাজে থাকাকালীন বা কাজে হওয়া দুর্ঘটনার জন্য মৃত্যু হলে, ক্ষতিপূরণ কাজের প্রতিটি বছরের জন্য ৪৫ দিনের বেতন বা ৬ মাসের বেশি সময়ের আংশিক বেতন ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে।

ক্ষতিপূরণ অবশ্যই মৃত কর্মীর মনোনীত ব্যক্তিকে দিতে হবে। এই ধরনে মনোনীত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে, অর্থ নির্ভরশীল ব্যক্তিকে/ব্যক্তিদের দিতে হবে।

পেশাগত কারণে হওয়া দীর্ঘস্থায়ী রোগের ক্ষেত্রে, অক্ষমতাজনিত ক্ষতিপূরণ অক্ষম থাকাকালীন সময় জুড়ে মাসিক বেতনের অর্ধেক (৫০%) হিসেবে দিতে হবে, তবে সেই সময়কাল যেন ২ বছরের বেশি না হয়।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫/২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫-এ কার্যকর হয়। ২০২৫ সালের সংস্কারের আওতায় দুর্ঘটনার একটি বিস্তৃত সংজ্ঞা সংযোজন করা হয়েছে, যাতে কর্মস্থলে বা কর্মস্থলের বাইরে কাজ করার সময় বা নিয়োগকর্তার নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় ঘটে যাওয়া শারীরিক আঘাত, মানসিক আঘাত এবং মৃত্যু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংস্কারটি একটি 'কর্মসংস্থান আঘাত তহবিল' গঠন বাধ্যতামূলক করেছে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত বিধিমালায় উল্লেখ থাকবে, যেখানে এই তহবিলের আওতাভুক্ত খাতসমূহ নির্দিষ্ট করা হবে।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬-এর §১৫, ১৫১; বাংলাদেশের EPZ শ্রম আইন, ২০১৯-এর §১৮, ৭৩-৭৪।

সম্পর্কিতবিষয়গুলি

কর্ম এবং অসুস্থতা
Related pages
কাজ এবং মজুরীক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিনচুক্তি এবং বাতিলকরণনোটিশ এর প্রয়োজনীয়তা / বিচ্ছেদ মজুরীপরিবারের দায়িত্বসমূহপ্রসূতি এবং কাজচাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষাদুধপান করানোর বিরতিকর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষাকর্ম এবং অসুস্থতাঅক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধাসামাজিক নিরাপত্তাবেকারত্ব সুবিধাকর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থাকর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিকাজের ক্ষেত্রে শিশুজোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রমট্রেড ইউনিয়নের অধিকারবাণিজ্য ইউনিয়ন তথ্য
Cite this page: © WageIndicator 2026  –  বাংলাদেশ  –  কাজেআঘাতপেলেতারজন্যসুবিধা,অক্ষমতাসুবিধা - বাংলাদেশ
FacebookLinkedin
WageIndicator সম্পর্কে
WageIndicator দলের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আমাদের কাজ সম্পর্কে আরও জানুন।
আরও পড়ুন আমাদের সম্পর্কে পৃষ্ঠায় যান
arrow
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যোগাযোগ ফর্মে যান
arrow
WageIndicator Logo
WageIndicator বাংলাদেশ
የሚሰሩ መረጃዎች
WageIndicator Foundation একটি বিশ্বব্যাপী, স্বতন্ত্র, অলাভজনক সংস্থা যা বিশ্বজুড়েন্যূনতম মজুরি, জীবননির্বাহ মজুরি, জীবননির্বাহ হার এবং জীবননির্বাহ আয়, চাকুরি ও বেতন, শ্রম আইন, যৌথ চুক্তি, গিগ ওয়ার্ক (Gig Work) এবং প্ল্যাটফর্ম অর্থনীতি (Platform Economy) সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, তুলনা এবং প্রচার করে। আমরা ২০০০ সালে যাত্রা শুরু করেছি এবং বর্তমানে ২০৮টি দেশ ও অঞ্চলে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
কর্ম ও তথ্য
ন্যূনতম মজুরি
জীবননির্বাহ মজুরি
স্যালারি চেক
শ্রম আইন
যৌথ চুক্তি
তথ্য ও সেবা
সর্বশেষ আপডেটসমূহ
প্রকল্পসমূহ
ইভেন্টসমূহ
সংবাদ
ህትመቶች
আমাদের সম্পর্কে
আমাদের পরিচয়
আমাদের সাথে কাজ করুন
আমাদের নীতিমালা ও পরিকল্পনা
প্রেস রুম
FacebookInstagramLinkedinYoutube
Privacy PolicyCookies StatementWebsite Terms & ConditionsAccessibilityPowered by the WageIndicator Foundation