• Back to the Global website
WageIndicator Logo
বাংলাদেশ এ কাজChevron
আমরা কী করিChevron
আমাদের সম্পর্কেChevron
Search
যোগাযোগ করুন
arrow
বাংলাদেশ এ কাজ
Explore this section to learn more.
ন্যূনতম মজুরী
জীবননির্বাহ মজুরি
বেতনArrow
শ্রম আইনArrow
সম্মিলিত চুক্তির ডাটাবেজArrow
স্যালারি চেক
বেতন জরীপ
বিখ্যাতদের আয়
কাজ এবং মজুরী
ক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়
বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিন
চুক্তি এবং বাতিলকরণ
পরিবারের দায়িত্বসমূহ
প্রসূতি এবং কাজ
কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা
কর্ম এবং অসুস্থতা
সামাজিক নিরাপত্তা
কর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থা
ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার
Explore all topics
সংগঠিত চুক্তিসমূহ তুলনা করুন
আমরা কী করি
Explore this section to learn more.
তথ্য ও সেবা
প্রকল্পসমূহ [ENG]
অনুষ্ঠানসমূহ [ENG]
প্রকাশনা [ENG]
সংবাদ ও গল্প [ENG]
আমাদের সম্পর্কে
Explore this section to learn more.
আমরা কারাArrow
আমাদের অংশীদাররা [ENG]
আমরা যেখানে কাজ করি [ENG]
আমাদের নীতিমালা ও পরিকল্পনা [ENG]
প্রেস রুম [ENG]
যোগাযোগ করুন [ENG]
আমাদের সঙ্গে কাজ করুন [ENG]
ইন্টার্নশিপ [ENG]
আমাদের ইতিহাস
ডেটা ব্যবহারকারীরা
Scroll left
Scroll right
  1. বাংলাদেশ
  2. বাংলাদেশ এ কাজ
  3. শ্রম আইন
  4. ক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়

ক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়

This page was last updated on: 2025-02-04

ওভারটাইমেরপ্রতিদান/অধিকসময়কাজেরপ্রতিদান

সাধারনত দৈনিক ৮ ঘণ্টা করে এবং সাপ্তাহিক ৪৮ ঘণ্টা কররম সময় হিসেবে ধরা হয়। বিশ্রাম এবং খাবার সময় ব্যতীত যে পরিমাণ সময় শ্রমিকরা তাদের নিয়োগকর্তার অধীনে কাজের জন্য দিয়ে থাকে সেই সময় কে “কর্মঘণ্টা” হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। শ্রম আইন ২০০৬ অনুসারে, যদি কোন শ্রমিক দৈনিক ৮ ঘণ্টা এবং সাপ্তাহিক ৪৮ ঘণ্টার অধিক কোনো দিন বা সপ্তাহ কাজ করে তাহলে তাকে ওভারটাইম হিসেবে ধরা হয়। ওভারটাইমসহ সর্বোচ্চ কর্ম সময় সাপ্তাহিক ৬০ ঘণ্টার অধিক হবেনা এবং গড়ে বাৎসরিকভাবে ছাপান্ন ঘণ্টার অধিক হতে পারবে না। এই শর্ত অনুযায়ী সর্বোচ্চ ওভারটাইম দৈনিক ২ ঘণ্টা এবং সাপ্তাহিক ১২ ঘণ্টা হয়ে থাকে। তবে এক বছরে ওভারটাইমের পরিমাণ গড়ে সপ্তাহ প্রতি ৮ ঘণ্টা অতিক্রম করতে পারবে না। কাজের সময় ও অধিকাল(overtime) বিষয়ক অনুরূপ বিধানবলী EPZ শ্রম আইন ২০১৯ এ পাওয়া যায়।

কারখানা এবং খনির ক্ষেত্রে কাজ করে এমন ১৬-১৮ বছর বয়সী তরুণদের দৈনিক ৫ ঘণ্টা এবং সাপ্তাহিক ৩০ ঘণ্টা কর্ম সময়, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ কাজের সময় দৈনিক ৭ ঘণ্টা, সাপ্তাহিক ৪২ ঘণ্টা এবং সর্বোচ্চ ওভারটাইম ৬ ঘণ্টা প্রতি সপ্তাহ(কারখানা এবং খনি ক্ষেত্রে জন্য ৩৬ ঘণ্টা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের জন্য ৪৮ ঘণ্টা)। সড়ক পরিবহনের শ্রমিকদের ক্ষেত্রে, মোট ওভারটাইম প্রতি বছর ১৫০ ঘণ্টার অধিক হবে না।

জনস্বার্থ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ঝুঁকি বিবেচনা করে সরকার যদি চায় তবে যেকোন বিভাগকে এসকল নিয়ম থেকে ৬ মাসের জন্য অব্যাহতি দিতে পারে। যদি প্রয়োজনে কোনো শ্রমিক ওভারটাইম বা অধিকাল কর্ম করে থাকে তবে তাকে মূল মজুরী, মহার্ঘ্য ভাতা এবং অন্তর্বর্তীকালীন ভাতার সাধারণ হারের দ্বিগুণ হারে অধিকাল ভাতা পরিশোধ করে থাকে।

যে সকল শ্রমিক খণ্ডকালীন কাজের ভিত্তিতে মজুরীভুক্ত , তাদের জন্য ওভারটাইম বা অধিকাল ভাতার কোনো বিধান শ্রম আইনে নেই।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫, ২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে। ২০২৫ সালের সংশোধনী "শ্রমিক" সংজ্ঞাটি ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করেছে: (i) এতে বাণিজ্য-প্রচার, বিক্রয় এবং ব্যবসা-উন্নয়ন কাজ অন্তর্ভুক্ত; (ii) কৃষি, গৃহকর্মী এবং নাবিকদের 'কর্মী' সংজ্ঞার আওতায় আনে; (iii) স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র তাদের বাদ দেয়, যাদের নিয়োগপত্র তাদেরকে প্রশাসনিক/ব্যবস্থাপনা/তদারকি কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ রাখে; এবং (iv) শ্রেণীবিন্যাস শুধুমাত্র পদবী নয়, কাজের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে। বাংলাদেশ শ্রম আইন-এর পরিধি অলাভজনক সংস্থাগুলিতেও সম্প্রসারিত করা হয়েছে, যার ফলে তাদের কর্মীরাও BLA-এর শ্রম সুরক্ষার আওতায় আসবে।

(ধারা ১০০, ১০২, ১০৫, ১০৮, ১১১ এবং ১১৩, শ্রম আইন ২০০৬; ২০১৫ ৯৯ তম; বাংলাদেশের EPZ শ্রম আইন, ২০১৯এর ৩৮, ৪০ ও ৪৫)।

রাত্রিকালীনশ্রমিকদেরকাজেরপ্রতিদান/ক্ষতিপূরণ

শ্রম আইন ২০০৬ কিশোর/কিশোরী এবং নারী শ্রমিকের কাজের সীমাবদ্ধতার সাথে রাত্রিকালীন কাজের সম্পর্ক আলোচনা করে এবং কিভাবে রাত্রিকালীন শ্রমিকদের বিশ্রামের সময়সীমা গণনা করা হবে তার উপায় বর্ণনা করে। একটি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের কাজের সময়সীমা যদি মধ্যরাত অতিক্রম করে যায় তবে সেক্ষেত্রে তার কাজ শেষ হওয়ার পর থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা হবে তার বিশ্রামকালীন সময়। কোন নারী শ্রমিককে তার সম্মতি ছাড়া রাতে (কোন প্রতিষ্ঠানের রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে) কাজ করার জন্য বাধ্য করা যাবে না। কিশোর শ্রমিকরা সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টার মধ্যবর্তী সময়ে কাজ করতে পারবে না। শ্রম আইনের অধীনে কোন রাত্রিকালীন শ্রমিককে অধিক হারে মজুরী পরিশোধ এবং রাত্রিকালীন শ্রমিকদের কাজের সময় কমানোর জন্য কোন বিধান নেই।

(শ্রম আইনে ধারা ৪১(৩), ১০৬ ও ১০৯)

ছুটিরদিন/বিশ্রামদিবসেরক্ষতিপূরক

কোনো শ্রমিককে প্রয়োজনে যদি সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করতে হয়, তাহলে কাজ শেষ হওয়ার পর থেকেই সে মজুরীসহ সমসংখ্যক উক্ত ছুটির পাওয়ার অধিকার রাখে। একইভাবে যদি প্রয়োজনে কোন শ্রমিক উৎসব/ সরকারি ছুটির দিনে কাজ করে থাকে, তাহলে সে মজুরীসহ ১ দিন বিকল্প ছুটি এবং ২ দিনের ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি পাওয়ার অধিকার রাখে। যদি শ্রমিক ইচ্ছা প্রকাশ করে, তাহলে যৌথ দরকষাকষি কমিটির সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করার পর ওই ছুটি উৎসব-ছুটির সঙ্গে যোগ করে ভোগ করতে পারবে। এই ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের জন্য কোনো অতিরিক্ত ভাতা প্রদান করা প্রযোজ্য নয়।

(শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১০৩, ১০৪ ও ১১৮(৩))

সাপ্তাহিকছুটি/সরকারীছুটিরদিনেকাজেরপ্রতিদান/ক্ষতিপূরক

সাপ্তাহিক ছুটি বা সরকারি ছুটির দিনে কাজ করার জন্য কোন অধিক হারে মজুরী পরিশোধের বিধান নেই। বরং যদি কোন শ্রমিক সাপ্তাহিক ছুটির / উৎসবের দিনে কাজ করে থাকে তবে সে কাজ শেষ হওয়ার পর পর যত শীঘ্রই সম্ভব পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা তাকে ছুটি দিতে হবে।

শ্রম আইনের ২০১৮ সংশধোনী ও ২০১৫ -র আইনের ২০২২ সংশোধনীর অধীনে, সরকারি ছুটির দিনে কাজ করেছেন এমন শ্রমিক তার কাজের জন্য মজুরীসহ ১টি ছুটি এবং দুই দিনের ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি পাবেন, যার প্রকৃত অর্থ হল সরকারি ছুটির দিনে কাজ করার জন্য ৩০০% মজুরী ও একটি বিকল্প ছুটির দিন তিনি পাবেন।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১০৪ ও ১১৮(৩)

ঘণ্টাপ্রতিকাজ,সাপ্তাহিকছুটিএবংসরকারীছুটিরদিনেকাজেরনিয়মাবলিঃ

  • বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ / Bangladesh EPZ Labour Act 2019

সম্পর্কিতবিষয়গুলি

কাজ এবং মজুরী বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিন স্যালারি চেক সম্মিলিত চুক্তির ডাটাবেজ
Related pages
কাজ এবং মজুরীক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিনচুক্তি এবং বাতিলকরণনোটিশ এর প্রয়োজনীয়তা / বিচ্ছেদ মজুরীপরিবারের দায়িত্বসমূহপ্রসূতি এবং কাজচাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষাদুধপান করানোর বিরতিকর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষাকর্ম এবং অসুস্থতাঅক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধাসামাজিক নিরাপত্তাবেকারত্ব সুবিধাকর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থাকর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিকাজের ক্ষেত্রে শিশুজোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রমট্রেড ইউনিয়নের অধিকারবাণিজ্য ইউনিয়ন তথ্য
This page was last updated on: 2025-02-04

ওভারটাইমেরপ্রতিদান/অধিকসময়কাজেরপ্রতিদান

সাধারনত দৈনিক ৮ ঘণ্টা করে এবং সাপ্তাহিক ৪৮ ঘণ্টা কররম সময় হিসেবে ধরা হয়। বিশ্রাম এবং খাবার সময় ব্যতীত যে পরিমাণ সময় শ্রমিকরা তাদের নিয়োগকর্তার অধীনে কাজের জন্য দিয়ে থাকে সেই সময় কে “কর্মঘণ্টা” হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। শ্রম আইন ২০০৬ অনুসারে, যদি কোন শ্রমিক দৈনিক ৮ ঘণ্টা এবং সাপ্তাহিক ৪৮ ঘণ্টার অধিক কোনো দিন বা সপ্তাহ কাজ করে তাহলে তাকে ওভারটাইম হিসেবে ধরা হয়। ওভারটাইমসহ সর্বোচ্চ কর্ম সময় সাপ্তাহিক ৬০ ঘণ্টার অধিক হবেনা এবং গড়ে বাৎসরিকভাবে ছাপান্ন ঘণ্টার অধিক হতে পারবে না। এই শর্ত অনুযায়ী সর্বোচ্চ ওভারটাইম দৈনিক ২ ঘণ্টা এবং সাপ্তাহিক ১২ ঘণ্টা হয়ে থাকে। তবে এক বছরে ওভারটাইমের পরিমাণ গড়ে সপ্তাহ প্রতি ৮ ঘণ্টা অতিক্রম করতে পারবে না। কাজের সময় ও অধিকাল(overtime) বিষয়ক অনুরূপ বিধানবলী EPZ শ্রম আইন ২০১৯ এ পাওয়া যায়।

কারখানা এবং খনির ক্ষেত্রে কাজ করে এমন ১৬-১৮ বছর বয়সী তরুণদের দৈনিক ৫ ঘণ্টা এবং সাপ্তাহিক ৩০ ঘণ্টা কর্ম সময়, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ কাজের সময় দৈনিক ৭ ঘণ্টা, সাপ্তাহিক ৪২ ঘণ্টা এবং সর্বোচ্চ ওভারটাইম ৬ ঘণ্টা প্রতি সপ্তাহ(কারখানা এবং খনি ক্ষেত্রে জন্য ৩৬ ঘণ্টা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের জন্য ৪৮ ঘণ্টা)। সড়ক পরিবহনের শ্রমিকদের ক্ষেত্রে, মোট ওভারটাইম প্রতি বছর ১৫০ ঘণ্টার অধিক হবে না।

জনস্বার্থ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ঝুঁকি বিবেচনা করে সরকার যদি চায় তবে যেকোন বিভাগকে এসকল নিয়ম থেকে ৬ মাসের জন্য অব্যাহতি দিতে পারে। যদি প্রয়োজনে কোনো শ্রমিক ওভারটাইম বা অধিকাল কর্ম করে থাকে তবে তাকে মূল মজুরী, মহার্ঘ্য ভাতা এবং অন্তর্বর্তীকালীন ভাতার সাধারণ হারের দ্বিগুণ হারে অধিকাল ভাতা পরিশোধ করে থাকে।

যে সকল শ্রমিক খণ্ডকালীন কাজের ভিত্তিতে মজুরীভুক্ত , তাদের জন্য ওভারটাইম বা অধিকাল ভাতার কোনো বিধান শ্রম আইনে নেই।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫, ২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে। ২০২৫ সালের সংশোধনী "শ্রমিক" সংজ্ঞাটি ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করেছে: (i) এতে বাণিজ্য-প্রচার, বিক্রয় এবং ব্যবসা-উন্নয়ন কাজ অন্তর্ভুক্ত; (ii) কৃষি, গৃহকর্মী এবং নাবিকদের 'কর্মী' সংজ্ঞার আওতায় আনে; (iii) স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র তাদের বাদ দেয়, যাদের নিয়োগপত্র তাদেরকে প্রশাসনিক/ব্যবস্থাপনা/তদারকি কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ রাখে; এবং (iv) শ্রেণীবিন্যাস শুধুমাত্র পদবী নয়, কাজের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে। বাংলাদেশ শ্রম আইন-এর পরিধি অলাভজনক সংস্থাগুলিতেও সম্প্রসারিত করা হয়েছে, যার ফলে তাদের কর্মীরাও BLA-এর শ্রম সুরক্ষার আওতায় আসবে।

(ধারা ১০০, ১০২, ১০৫, ১০৮, ১১১ এবং ১১৩, শ্রম আইন ২০০৬; ২০১৫ ৯৯ তম; বাংলাদেশের EPZ শ্রম আইন, ২০১৯এর ৩৮, ৪০ ও ৪৫)।

রাত্রিকালীনশ্রমিকদেরকাজেরপ্রতিদান/ক্ষতিপূরণ

শ্রম আইন ২০০৬ কিশোর/কিশোরী এবং নারী শ্রমিকের কাজের সীমাবদ্ধতার সাথে রাত্রিকালীন কাজের সম্পর্ক আলোচনা করে এবং কিভাবে রাত্রিকালীন শ্রমিকদের বিশ্রামের সময়সীমা গণনা করা হবে তার উপায় বর্ণনা করে। একটি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের কাজের সময়সীমা যদি মধ্যরাত অতিক্রম করে যায় তবে সেক্ষেত্রে তার কাজ শেষ হওয়ার পর থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা হবে তার বিশ্রামকালীন সময়। কোন নারী শ্রমিককে তার সম্মতি ছাড়া রাতে (কোন প্রতিষ্ঠানের রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে) কাজ করার জন্য বাধ্য করা যাবে না। কিশোর শ্রমিকরা সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টার মধ্যবর্তী সময়ে কাজ করতে পারবে না। শ্রম আইনের অধীনে কোন রাত্রিকালীন শ্রমিককে অধিক হারে মজুরী পরিশোধ এবং রাত্রিকালীন শ্রমিকদের কাজের সময় কমানোর জন্য কোন বিধান নেই।

(শ্রম আইনে ধারা ৪১(৩), ১০৬ ও ১০৯)

ছুটিরদিন/বিশ্রামদিবসেরক্ষতিপূরক

কোনো শ্রমিককে প্রয়োজনে যদি সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করতে হয়, তাহলে কাজ শেষ হওয়ার পর থেকেই সে মজুরীসহ সমসংখ্যক উক্ত ছুটির পাওয়ার অধিকার রাখে। একইভাবে যদি প্রয়োজনে কোন শ্রমিক উৎসব/ সরকারি ছুটির দিনে কাজ করে থাকে, তাহলে সে মজুরীসহ ১ দিন বিকল্প ছুটি এবং ২ দিনের ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি পাওয়ার অধিকার রাখে। যদি শ্রমিক ইচ্ছা প্রকাশ করে, তাহলে যৌথ দরকষাকষি কমিটির সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কাজ করার পর ওই ছুটি উৎসব-ছুটির সঙ্গে যোগ করে ভোগ করতে পারবে। এই ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের জন্য কোনো অতিরিক্ত ভাতা প্রদান করা প্রযোজ্য নয়।

(শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১০৩, ১০৪ ও ১১৮(৩))

সাপ্তাহিকছুটি/সরকারীছুটিরদিনেকাজেরপ্রতিদান/ক্ষতিপূরক

সাপ্তাহিক ছুটি বা সরকারি ছুটির দিনে কাজ করার জন্য কোন অধিক হারে মজুরী পরিশোধের বিধান নেই। বরং যদি কোন শ্রমিক সাপ্তাহিক ছুটির / উৎসবের দিনে কাজ করে থাকে তবে সে কাজ শেষ হওয়ার পর পর যত শীঘ্রই সম্ভব পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা তাকে ছুটি দিতে হবে।

শ্রম আইনের ২০১৮ সংশধোনী ও ২০১৫ -র আইনের ২০২২ সংশোধনীর অধীনে, সরকারি ছুটির দিনে কাজ করেছেন এমন শ্রমিক তার কাজের জন্য মজুরীসহ ১টি ছুটি এবং দুই দিনের ক্ষতিপূরণমূলক ছুটি পাবেন, যার প্রকৃত অর্থ হল সরকারি ছুটির দিনে কাজ করার জন্য ৩০০% মজুরী ও একটি বিকল্প ছুটির দিন তিনি পাবেন।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১০৪ ও ১১৮(৩)

ঘণ্টাপ্রতিকাজ,সাপ্তাহিকছুটিএবংসরকারীছুটিরদিনেকাজেরনিয়মাবলিঃ

  • বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ / Bangladesh EPZ Labour Act 2019

সম্পর্কিতবিষয়গুলি

কাজ এবং মজুরী বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিন স্যালারি চেক সম্মিলিত চুক্তির ডাটাবেজ
Related pages
কাজ এবং মজুরীক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিনচুক্তি এবং বাতিলকরণনোটিশ এর প্রয়োজনীয়তা / বিচ্ছেদ মজুরীপরিবারের দায়িত্বসমূহপ্রসূতি এবং কাজচাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষাদুধপান করানোর বিরতিকর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষাকর্ম এবং অসুস্থতাঅক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধাসামাজিক নিরাপত্তাবেকারত্ব সুবিধাকর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থাকর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিকাজের ক্ষেত্রে শিশুজোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রমট্রেড ইউনিয়নের অধিকারবাণিজ্য ইউনিয়ন তথ্য
Cite this page: © WageIndicator 2026  –  বাংলাদেশ  –  আপনারঅধিকারঃওভারটাইমমজুরী, রাত্রেকাজকরারজন্যমজুরী
FacebookLinkedin
WageIndicator সম্পর্কে
WageIndicator দলের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আমাদের কাজ সম্পর্কে আরও জানুন।
আরও পড়ুন আমাদের সম্পর্কে পৃষ্ঠায় যান
arrow
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যোগাযোগ ফর্মে যান
arrow
WageIndicator Logo
WageIndicator বাংলাদেশ
የሚሰሩ መረጃዎች
WageIndicator Foundation একটি বিশ্বব্যাপী, স্বতন্ত্র, অলাভজনক সংস্থা যা বিশ্বজুড়েন্যূনতম মজুরি, জীবননির্বাহ মজুরি, জীবননির্বাহ হার এবং জীবননির্বাহ আয়, চাকুরি ও বেতন, শ্রম আইন, যৌথ চুক্তি, গিগ ওয়ার্ক (Gig Work) এবং প্ল্যাটফর্ম অর্থনীতি (Platform Economy) সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, তুলনা এবং প্রচার করে। আমরা ২০০০ সালে যাত্রা শুরু করেছি এবং বর্তমানে ২০৮টি দেশ ও অঞ্চলে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
কর্ম ও তথ্য
ন্যূনতম মজুরি
জীবননির্বাহ মজুরি
স্যালারি চেক
শ্রম আইন
যৌথ চুক্তি
তথ্য ও সেবা
সর্বশেষ আপডেটসমূহ
প্রকল্পসমূহ
ইভেন্টসমূহ
সংবাদ
ህትመቶች
আমাদের সম্পর্কে
আমাদের পরিচয়
আমাদের সাথে কাজ করুন
আমাদের নীতিমালা ও পরিকল্পনা
প্রেস রুম
FacebookInstagramLinkedinYoutube
Privacy PolicyCookies StatementWebsite Terms & ConditionsAccessibilityPowered by the WageIndicator Foundation