• Back to the Global website
WageIndicator Logo
বাংলাদেশ এ কাজChevron
আমরা কী করিChevron
আমাদের সম্পর্কেChevron
Search
যোগাযোগ করুন
arrow
বাংলাদেশ এ কাজ
Explore this section to learn more.
ন্যূনতম মজুরী
জীবননির্বাহ মজুরি
বেতনArrow
শ্রম আইনArrow
সম্মিলিত চুক্তির ডাটাবেজArrow
স্যালারি চেক
বেতন জরীপ
বিখ্যাতদের আয়
কাজ এবং মজুরী
ক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়
বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিন
চুক্তি এবং বাতিলকরণ
পরিবারের দায়িত্বসমূহ
প্রসূতি এবং কাজ
কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা
কর্ম এবং অসুস্থতা
সামাজিক নিরাপত্তা
কর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থা
ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার
Explore all topics
সংগঠিত চুক্তিসমূহ তুলনা করুন
আমরা কী করি
Explore this section to learn more.
তথ্য ও সেবা
প্রকল্পসমূহ [ENG]
অনুষ্ঠানসমূহ [ENG]
প্রকাশনা [ENG]
সংবাদ ও গল্প [ENG]
আমাদের সম্পর্কে
Explore this section to learn more.
আমরা কারাArrow
আমাদের অংশীদাররা [ENG]
আমরা যেখানে কাজ করি [ENG]
আমাদের নীতিমালা ও পরিকল্পনা [ENG]
প্রেস রুম [ENG]
যোগাযোগ করুন [ENG]
আমাদের সঙ্গে কাজ করুন [ENG]
ইন্টার্নশিপ [ENG]
আমাদের ইতিহাস
ডেটা ব্যবহারকারীরা
Scroll left
Scroll right
  1. বাংলাদেশ
  2. বাংলাদেশ এ কাজ
  3. শ্রম আইন
  4. কর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থা
  5. জোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রম

জোরপূর্বকশ্রম

This page was last updated on: 2025-02-04

জোরপূর্বকএবংবাধ্যতামূলকশ্রমেনিষেধাজ্ঞা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জোরপূর্বক শ্রম কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, “সকল প্রকার জোরপূর্বক শ্রম নিষিদ্ধ এবং যদি এই আইন কোন ক্ষেত্রে অমান্য করা হয় তাহলে তা বেআইনি এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে”। বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা ৩৭৪ অনুযায়ী, "যে কোনো ব্যক্তি যদি অন্যকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম করতে বাধ্য করে, তবে তাকে এক বছরের জন্য কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয়ের শাস্তি দেওয়া হবে।" ২০১২ সালে প্রণীত "মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন"ও শ্রম শোষণের উদ্দেশ্যে মানব পাচারের জন্য শাস্তি প্রদান করে এবং কঠোর কারাদণ্ডের বিধান রাখে, যা ৫ বছরের কারাদণ্ড থেকে শুরু করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ন্যূনতম ৫০,০০০ টাকা জরিমানা পর্যন্ত হতে পারে।

ইপিজেড শ্রম আইনের অধীনে, নিয়োগকর্তারা বল প্রয়োগ বা জবরদস্তি করে কোনও ব্যক্তিকে কোনো শিল্পের কাজে নিয়োগ করতে পারবেন না।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫, ২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে। ২০২৫ সালের সংশোধনীতে জোরপূর্বক বা বাধ্যতামূলক শ্রমের একটি নতুন সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা আইএলও মানদণ্ডের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মিল রাখে: শাস্তির হুমকির মাধ্যমে আদায় করা এবং স্বেচ্ছায় প্রদান করা হয়নি এমন যেকোনো কাজ বা সেবা, এবং গ্রহণযোগ্য ব্যতিক্রমসমূহ (যেমন: বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা, নাগরিক দায়িত্ব, জরুরি কাজ) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎসঃ বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রী সংবিধান;৩৪ , ৩৭৪, দণ্ডবিধি ১৮৬০; ৩ এবং ৬, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২; §১৭৬, বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯।

চাকরিপরিবর্তনেরস্বাধীনতাএবংচাকরিছাড়ারঅধিকার

বাংলাদেশের শ্রম আইনে এমন কোন ধারা নেই যা একজন শ্রমিককে তার কাজ পরিবর্তন বা ছাড়তে বাধা প্রদান করবে। সংবিধান অনুযায়ী, প্রতিটি নাগরিকের যে কোন আইনসঙ্গত পেশা বা কাজে প্রবেশ করার এবং যেকোনো বৈধ বাণিজ্য বা ব্যবসা পরিচালনা করার অধিকার আছে। একজন স্থায়ী শ্রমিক তার চুক্তি ভঙ্গ করতে পারে এবং ৬০দিনের একটি লিখিত নোটিশ প্রদান করে তার কাজের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে পারবে। একজন অস্থায়ী শ্রমিক যদি মাসিক মজুরীভুক্ত শ্রমিক হন, তবে তাকে ত্রিশ দিনের লিখিত নোটিশ দিয়ে বা অন্য শ্রমিকদের ক্ষেত্রে চৌদ্দ দিনের নোটিশ দিয়ে তার সেবা থেকে পদত্যাগ করতে হবে। যদি কোনো শ্রমিক তার চাকরি থেকে নোটিশ ছাড়াই পদত্যাগ করতে চান, তবে তিনি উপরোক্ত উল্লিখিত সময়ের জন্য নোটিশের পরিবর্তে নিয়োগকর্তাকে নোটিশের সম পরিমাণ অর্থ প্রদান করে পদত্যাগ করতে পারেন।

উৎসঃ বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রী সংবিধান, ধারা ৪০; শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২৭(১-৩)।

Inhumane Working Conditions

কর্মসংস্থানের সময় স্বাভাবিক কর্মঘণ্টার (সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা এবং দিনে ৮ ঘণ্টা) বাইরে বাড়ানো যেতে পারে। তবে, অতিরিক্ত কাজসহ মোট কাজের সময় কোনও সপ্তাহে ৬০ ঘণ্টার বেশি এবং বছরে গড়ে ৫৬ ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না। অর্থাৎ, অতিরিক্ত কাজের সর্বোচ্চ সীমা হলো প্রতিদিন ২ ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ১২ ঘণ্টা। তবে, বছরে গড়ে অতিরিক্ত কাজের সময় সপ্তাহে ৮ ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না।

এ সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য, দয়া করে ক্ষতিপূরণ সম্পর্কিত বিভাগটি দেখুন।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ১০০, ১০২, ১০৫, ১০৮, ১১১, ও ১১৩।

জোরপূর্বকশ্রমেরনিয়মাবলিঃ

  • বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রী সংবিধান, ৪ নভেম্বর ১৯৭২, সর্বশেষ ২০১৮ সালে সংশোধিত / Constitution of the People's Republic of Bangladesh 4th November 1972, last amended in 2018
  • বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ / Bangladesh Labour Act 2006
  • বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ / Bangladesh Labour Rules, 2015
  • মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ / Prevention and Suppression of Human Trafficking Act, 2012
  • বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ / Bangladesh EPZ Labour Act 2019

সম্পর্কিতবিষয়গুলি

কর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থা
Related pages
কাজ এবং মজুরীক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিনচুক্তি এবং বাতিলকরণনোটিশ এর প্রয়োজনীয়তা / বিচ্ছেদ মজুরীপরিবারের দায়িত্বসমূহপ্রসূতি এবং কাজচাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষাদুধপান করানোর বিরতিকর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষাকর্ম এবং অসুস্থতাঅক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধাসামাজিক নিরাপত্তাবেকারত্ব সুবিধাকর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থাকর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিকাজের ক্ষেত্রে শিশুজোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রমট্রেড ইউনিয়নের অধিকারবাণিজ্য ইউনিয়ন তথ্য
This page was last updated on: 2025-02-04

জোরপূর্বকএবংবাধ্যতামূলকশ্রমেনিষেধাজ্ঞা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জোরপূর্বক শ্রম কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, “সকল প্রকার জোরপূর্বক শ্রম নিষিদ্ধ এবং যদি এই আইন কোন ক্ষেত্রে অমান্য করা হয় তাহলে তা বেআইনি এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে”। বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা ৩৭৪ অনুযায়ী, "যে কোনো ব্যক্তি যদি অন্যকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম করতে বাধ্য করে, তবে তাকে এক বছরের জন্য কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয়ের শাস্তি দেওয়া হবে।" ২০১২ সালে প্রণীত "মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন"ও শ্রম শোষণের উদ্দেশ্যে মানব পাচারের জন্য শাস্তি প্রদান করে এবং কঠোর কারাদণ্ডের বিধান রাখে, যা ৫ বছরের কারাদণ্ড থেকে শুরু করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ন্যূনতম ৫০,০০০ টাকা জরিমানা পর্যন্ত হতে পারে।

ইপিজেড শ্রম আইনের অধীনে, নিয়োগকর্তারা বল প্রয়োগ বা জবরদস্তি করে কোনও ব্যক্তিকে কোনো শিল্পের কাজে নিয়োগ করতে পারবেন না।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫, ২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে। ২০২৫ সালের সংশোধনীতে জোরপূর্বক বা বাধ্যতামূলক শ্রমের একটি নতুন সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা আইএলও মানদণ্ডের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মিল রাখে: শাস্তির হুমকির মাধ্যমে আদায় করা এবং স্বেচ্ছায় প্রদান করা হয়নি এমন যেকোনো কাজ বা সেবা, এবং গ্রহণযোগ্য ব্যতিক্রমসমূহ (যেমন: বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা, নাগরিক দায়িত্ব, জরুরি কাজ) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎসঃ বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রী সংবিধান;৩৪ , ৩৭৪, দণ্ডবিধি ১৮৬০; ৩ এবং ৬, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২; §১৭৬, বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯।

চাকরিপরিবর্তনেরস্বাধীনতাএবংচাকরিছাড়ারঅধিকার

বাংলাদেশের শ্রম আইনে এমন কোন ধারা নেই যা একজন শ্রমিককে তার কাজ পরিবর্তন বা ছাড়তে বাধা প্রদান করবে। সংবিধান অনুযায়ী, প্রতিটি নাগরিকের যে কোন আইনসঙ্গত পেশা বা কাজে প্রবেশ করার এবং যেকোনো বৈধ বাণিজ্য বা ব্যবসা পরিচালনা করার অধিকার আছে। একজন স্থায়ী শ্রমিক তার চুক্তি ভঙ্গ করতে পারে এবং ৬০দিনের একটি লিখিত নোটিশ প্রদান করে তার কাজের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে পারবে। একজন অস্থায়ী শ্রমিক যদি মাসিক মজুরীভুক্ত শ্রমিক হন, তবে তাকে ত্রিশ দিনের লিখিত নোটিশ দিয়ে বা অন্য শ্রমিকদের ক্ষেত্রে চৌদ্দ দিনের নোটিশ দিয়ে তার সেবা থেকে পদত্যাগ করতে হবে। যদি কোনো শ্রমিক তার চাকরি থেকে নোটিশ ছাড়াই পদত্যাগ করতে চান, তবে তিনি উপরোক্ত উল্লিখিত সময়ের জন্য নোটিশের পরিবর্তে নিয়োগকর্তাকে নোটিশের সম পরিমাণ অর্থ প্রদান করে পদত্যাগ করতে পারেন।

উৎসঃ বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রী সংবিধান, ধারা ৪০; শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২৭(১-৩)।

Inhumane Working Conditions

কর্মসংস্থানের সময় স্বাভাবিক কর্মঘণ্টার (সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা এবং দিনে ৮ ঘণ্টা) বাইরে বাড়ানো যেতে পারে। তবে, অতিরিক্ত কাজসহ মোট কাজের সময় কোনও সপ্তাহে ৬০ ঘণ্টার বেশি এবং বছরে গড়ে ৫৬ ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না। অর্থাৎ, অতিরিক্ত কাজের সর্বোচ্চ সীমা হলো প্রতিদিন ২ ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ১২ ঘণ্টা। তবে, বছরে গড়ে অতিরিক্ত কাজের সময় সপ্তাহে ৮ ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না।

এ সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য, দয়া করে ক্ষতিপূরণ সম্পর্কিত বিভাগটি দেখুন।

উৎস: শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ১০০, ১০২, ১০৫, ১০৮, ১১১, ও ১১৩।

জোরপূর্বকশ্রমেরনিয়মাবলিঃ

  • বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রী সংবিধান, ৪ নভেম্বর ১৯৭২, সর্বশেষ ২০১৮ সালে সংশোধিত / Constitution of the People's Republic of Bangladesh 4th November 1972, last amended in 2018
  • বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ / Bangladesh Labour Act 2006
  • বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ / Bangladesh Labour Rules, 2015
  • মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ / Prevention and Suppression of Human Trafficking Act, 2012
  • বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ / Bangladesh EPZ Labour Act 2019

সম্পর্কিতবিষয়গুলি

কর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থা
Related pages
কাজ এবং মজুরীক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিনচুক্তি এবং বাতিলকরণনোটিশ এর প্রয়োজনীয়তা / বিচ্ছেদ মজুরীপরিবারের দায়িত্বসমূহপ্রসূতি এবং কাজচাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষাদুধপান করানোর বিরতিকর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষাকর্ম এবং অসুস্থতাঅক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধাসামাজিক নিরাপত্তাবেকারত্ব সুবিধাকর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থাকর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিকাজের ক্ষেত্রে শিশুজোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রমট্রেড ইউনিয়নের অধিকারবাণিজ্য ইউনিয়ন তথ্য
Cite this page: © WageIndicator 2026  –  বাংলাদেশ  –  জোরপূর্বকশ্রম,জোরপূর্বককাজ - বাংলাদেশ
FacebookLinkedin
WageIndicator সম্পর্কে
WageIndicator দলের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আমাদের কাজ সম্পর্কে আরও জানুন।
আরও পড়ুন আমাদের সম্পর্কে পৃষ্ঠায় যান
arrow
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যোগাযোগ ফর্মে যান
arrow
WageIndicator Logo
WageIndicator বাংলাদেশ
የሚሰሩ መረጃዎች
WageIndicator Foundation একটি বিশ্বব্যাপী, স্বতন্ত্র, অলাভজনক সংস্থা যা বিশ্বজুড়েন্যূনতম মজুরি, জীবননির্বাহ মজুরি, জীবননির্বাহ হার এবং জীবননির্বাহ আয়, চাকুরি ও বেতন, শ্রম আইন, যৌথ চুক্তি, গিগ ওয়ার্ক (Gig Work) এবং প্ল্যাটফর্ম অর্থনীতি (Platform Economy) সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, তুলনা এবং প্রচার করে। আমরা ২০০০ সালে যাত্রা শুরু করেছি এবং বর্তমানে ২০৮টি দেশ ও অঞ্চলে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
কর্ম ও তথ্য
ন্যূনতম মজুরি
জীবননির্বাহ মজুরি
স্যালারি চেক
শ্রম আইন
যৌথ চুক্তি
তথ্য ও সেবা
সর্বশেষ আপডেটসমূহ
প্রকল্পসমূহ
ইভেন্টসমূহ
সংবাদ
ህትመቶች
আমাদের সম্পর্কে
আমাদের পরিচয়
আমাদের সাথে কাজ করুন
আমাদের নীতিমালা ও পরিকল্পনা
প্রেস রুম
FacebookInstagramLinkedinYoutube
Privacy PolicyCookies StatementWebsite Terms & ConditionsAccessibilityPowered by the WageIndicator Foundation