• Back to the Global website
WageIndicator Logo
বাংলাদেশ এ কাজChevron
আমরা কী করিChevron
আমাদের সম্পর্কেChevron
Search
যোগাযোগ করুন
arrow
বাংলাদেশ এ কাজ
Explore this section to learn more.
ন্যূনতম মজুরী
জীবননির্বাহ মজুরি
বেতনArrow
শ্রম আইনArrow
সম্মিলিত চুক্তির ডাটাবেজArrow
স্যালারি চেক
বেতন জরীপ
বিখ্যাতদের আয়
কাজ এবং মজুরী
ক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়
বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিন
চুক্তি এবং বাতিলকরণ
পরিবারের দায়িত্বসমূহ
প্রসূতি এবং কাজ
কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা
কর্ম এবং অসুস্থতা
সামাজিক নিরাপত্তা
কর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থা
ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার
Explore all topics
সংগঠিত চুক্তিসমূহ তুলনা করুন
আমরা কী করি
Explore this section to learn more.
তথ্য ও সেবা
প্রকল্পসমূহ [ENG]
অনুষ্ঠানসমূহ [ENG]
প্রকাশনা [ENG]
সংবাদ ও গল্প [ENG]
আমাদের সম্পর্কে
Explore this section to learn more.
আমরা কারাArrow
আমাদের অংশীদাররা [ENG]
আমরা যেখানে কাজ করি [ENG]
আমাদের নীতিমালা ও পরিকল্পনা [ENG]
প্রেস রুম [ENG]
যোগাযোগ করুন [ENG]
আমাদের সঙ্গে কাজ করুন [ENG]
ইন্টার্নশিপ [ENG]
আমাদের ইতিহাস
ডেটা ব্যবহারকারীরা
Scroll left
Scroll right
  1. বাংলাদেশ
  2. বাংলাদেশ এ কাজ
  3. শ্রম আইন
  4. সামাজিক নিরাপত্তা

সামাজিকনিরাপত্তা

This page was last updated on: 2025-02-04

পেনশনেরঅধিকার

সাধারণত বেসরকারি খাতে শ্রমিকদের অবসরকালীন সময় বলতে কিছু নাই কিন্তু অবসরকালীন সময়ে তাকে গ্রাচুইটি সুবিধা প্রদান করা হয়।

আংশি ভাবে দেশে বিদ্যমান চরম দারিদ্র্যতা থেকে মুক্তির জন্য, সামাজিক কল্যান মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৯৮ সাল থেকে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসুচীর অধীনে বয়স্ক ভাতা প্রদান করা হয়। এই বয়স্ক ভাতা পাওয়ার জন্য একজন গ্রাহককে অবশ্যই ৬৫ বছর (মহিলাদের ক্ষেত্রে ৬২বছর) পর্যন্ত কাজ করতে হবে এবং তাদের বার্ষিক আয় ১০০০০ টাকার নিচে হতে হবে। যেসকল শ্রমিক শারীরিক এবং মানসিকভাবে অক্ষম বা প্রতিবন্ধীদের, গৃহহীন, জমিহীন, মুক্তিযোদ্ধা, বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত, অবিবাহিত এবং পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন তাদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়। বয়স্কভাতা পাওয়ার প্রার্থীগণ কোন সময় সীমা ছাড়া প্রতি ত্রৈমাসিকে ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে।

বাংলাদেশের সর্বজনীন পেনশন প্রকল্প (Universal Pension Scheme) ১৮-৫০ বছর বয়সী নাগরিকদের জন্য বরদ্দ রয়েছে, যেখানে ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য বিশেষ বিবেচনার বন্দোবস্তও রয়েছে। মাসিক পেনশনের জন্য যোগ্য হওয়ার ক্ষেত্রে, যোগদাতাদের অবশ্যই অন্তত দশ বছর যোগদান দিতে হবে। যোগদান ব্যক্তিগত পেনশন অ্যাকাউন্টে ব্যবস্থিত হয়, যা চাকরি বদলালে সেখানে স্থানান্তরিত করা যায়। যোগদানের হার, যা মাসিক বা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে দেওয়া হয়, কর্তৃপক্ষ দ্বারা নির্ধারিত হয়, যেখানে আগাম এবং কিস্তিতে প্রদানের বিকল্পগুলি থাকে। বিলম্বে প্রদানের ক্ষেত্রে একটি ফি ধার্য হয়, যা যোগদাতার অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হয়। পেনশনের সুবিধা সারা জীবন ধরে পাওয়া যায়, যেখানে পেনশনধারাক ৭৫ বছর বয়সের আগে মারা গেলে তার মনোনীত ব্যক্তির জন্য বন্দোবস্তও থাকে। জমাকৃত রাশির ৫০% অবধি ঋণ নেওয়া যেতে পারে, যার জন্য ফি ধার্য হয়।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫/২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে। সংস্কারের আগে, প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মীদের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড গঠন করতে পারতো, তবে এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঐচ্ছিক ছিল, যদি না কোম্পানি নিয়ম বা সমবায় চুক্তিতে তা নির্ধারিত থাকতো। ২০২৫ সালের সংস্কার বৃহত্তর প্রতিষ্ঠানে প্রভিডেন্ট ফান্ড বাধ্যতামূলক করেছে: ১০০ বা তার বেশি স্থায়ী কর্মী থাকা যেকোনো প্রতিষ্ঠানে (ক) আইনানুগ বিধি অনুযায়ী প্রভিডেন্ট/ফিউচার ফান্ড গঠন করতে হবে, অথবা (খ) কর্মীদের জাতীয় সার্বজনীন পেনশন স্কিম (প্রগ্রেসিভ)-এ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যেখানে নিয়োগকর্তা ও কর্মচারীর যৌথ অবদান সাধারণত ৫০/৫০।

উৎস: সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন (Universal Pension Management Act) ২০২৩; শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ২৮।

নির্ভরশীল/পোষ্যসুবিধা

যদি কোন শ্রমিক ধারাবাহিকভাবে অন্তত ২ বছর কাজ করার মাঝে মৃত্যুবরণ করে, তাহলে নিয়োগকর্তা শ্রমিকের মনোনীত ব্যক্তি অথবা মনোনীত ব্যক্তির অবর্তমানে তার পোষ্যকে স্বাভাবিক মৃত্যুর জন্য ৩০ দিনের মজুরি এবং কারখানাতে কাজ করার সময় বা প্রতিবছর সেবা প্রদান কালে বা অন্য কোন অংশে ৬ মাসের অধিক কাজ করার সময় দুর্ঘটনার কারনে মৃত্যুর জন্য ৪৫ দিনের মজুরির সমান ক্ষতিপূরণ বা গ্রাচুইটি, যেটা অধিক হয়, তা প্রদান করতে হবে এবং মৃত শ্রমিক চাকরি থেকে অবসর গ্রহন করলে যে সুবিধাসমূহ পেয়ে থাকতেন, তাও এই পারিশ্রমিকের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: (শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১৯)

দুর্বলতা/অক্ষমতারসুবিধা

বেসরকারি খাতে শ্রমিকদের জন্য কোন অক্ষমতা সুবিধা নেই। শুধুমাত্র সরকারি খাতের শ্রমিকদেরকে অক্ষমতার জন্য সুবিধা প্রদান করা হয়ে থাকে।

সামাজিকনিরাপত্তারউপরনিয়মাবলীঃ

  • বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ / Bangladesh Labour Act 2006
  • সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন ২০২৩ / The Universal Pension Management Act 2023

সম্পর্কিতবিষয়গুলি

বেকারত্ব সুবিধা চুক্তি এবং বাতিলকরণ কর্ম এবং অসুস্থতা সম্মিলিত চুক্তির ডাটাবেজ
Related pages
কাজ এবং মজুরীক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিনচুক্তি এবং বাতিলকরণনোটিশ এর প্রয়োজনীয়তা / বিচ্ছেদ মজুরীপরিবারের দায়িত্বসমূহপ্রসূতি এবং কাজচাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষাদুধপান করানোর বিরতিকর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষাকর্ম এবং অসুস্থতাঅক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধাসামাজিক নিরাপত্তাবেকারত্ব সুবিধাকর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থাকর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিকাজের ক্ষেত্রে শিশুজোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রমট্রেড ইউনিয়নের অধিকারবাণিজ্য ইউনিয়ন তথ্য
This page was last updated on: 2025-02-04

পেনশনেরঅধিকার

সাধারণত বেসরকারি খাতে শ্রমিকদের অবসরকালীন সময় বলতে কিছু নাই কিন্তু অবসরকালীন সময়ে তাকে গ্রাচুইটি সুবিধা প্রদান করা হয়।

আংশি ভাবে দেশে বিদ্যমান চরম দারিদ্র্যতা থেকে মুক্তির জন্য, সামাজিক কল্যান মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৯৮ সাল থেকে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসুচীর অধীনে বয়স্ক ভাতা প্রদান করা হয়। এই বয়স্ক ভাতা পাওয়ার জন্য একজন গ্রাহককে অবশ্যই ৬৫ বছর (মহিলাদের ক্ষেত্রে ৬২বছর) পর্যন্ত কাজ করতে হবে এবং তাদের বার্ষিক আয় ১০০০০ টাকার নিচে হতে হবে। যেসকল শ্রমিক শারীরিক এবং মানসিকভাবে অক্ষম বা প্রতিবন্ধীদের, গৃহহীন, জমিহীন, মুক্তিযোদ্ধা, বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত, অবিবাহিত এবং পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন তাদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়। বয়স্কভাতা পাওয়ার প্রার্থীগণ কোন সময় সীমা ছাড়া প্রতি ত্রৈমাসিকে ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে।

বাংলাদেশের সর্বজনীন পেনশন প্রকল্প (Universal Pension Scheme) ১৮-৫০ বছর বয়সী নাগরিকদের জন্য বরদ্দ রয়েছে, যেখানে ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য বিশেষ বিবেচনার বন্দোবস্তও রয়েছে। মাসিক পেনশনের জন্য যোগ্য হওয়ার ক্ষেত্রে, যোগদাতাদের অবশ্যই অন্তত দশ বছর যোগদান দিতে হবে। যোগদান ব্যক্তিগত পেনশন অ্যাকাউন্টে ব্যবস্থিত হয়, যা চাকরি বদলালে সেখানে স্থানান্তরিত করা যায়। যোগদানের হার, যা মাসিক বা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে দেওয়া হয়, কর্তৃপক্ষ দ্বারা নির্ধারিত হয়, যেখানে আগাম এবং কিস্তিতে প্রদানের বিকল্পগুলি থাকে। বিলম্বে প্রদানের ক্ষেত্রে একটি ফি ধার্য হয়, যা যোগদাতার অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হয়। পেনশনের সুবিধা সারা জীবন ধরে পাওয়া যায়, যেখানে পেনশনধারাক ৭৫ বছর বয়সের আগে মারা গেলে তার মনোনীত ব্যক্তির জন্য বন্দোবস্তও থাকে। জমাকৃত রাশির ৫০% অবধি ঋণ নেওয়া যেতে পারে, যার জন্য ফি ধার্য হয়।

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং ৬৫/২০২৫), যা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (BLA) সংশোধন করেছে, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে। সংস্কারের আগে, প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মীদের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড গঠন করতে পারতো, তবে এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঐচ্ছিক ছিল, যদি না কোম্পানি নিয়ম বা সমবায় চুক্তিতে তা নির্ধারিত থাকতো। ২০২৫ সালের সংস্কার বৃহত্তর প্রতিষ্ঠানে প্রভিডেন্ট ফান্ড বাধ্যতামূলক করেছে: ১০০ বা তার বেশি স্থায়ী কর্মী থাকা যেকোনো প্রতিষ্ঠানে (ক) আইনানুগ বিধি অনুযায়ী প্রভিডেন্ট/ফিউচার ফান্ড গঠন করতে হবে, অথবা (খ) কর্মীদের জাতীয় সার্বজনীন পেনশন স্কিম (প্রগ্রেসিভ)-এ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যেখানে নিয়োগকর্তা ও কর্মচারীর যৌথ অবদান সাধারণত ৫০/৫০।

উৎস: সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন (Universal Pension Management Act) ২০২৩; শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ২৮।

নির্ভরশীল/পোষ্যসুবিধা

যদি কোন শ্রমিক ধারাবাহিকভাবে অন্তত ২ বছর কাজ করার মাঝে মৃত্যুবরণ করে, তাহলে নিয়োগকর্তা শ্রমিকের মনোনীত ব্যক্তি অথবা মনোনীত ব্যক্তির অবর্তমানে তার পোষ্যকে স্বাভাবিক মৃত্যুর জন্য ৩০ দিনের মজুরি এবং কারখানাতে কাজ করার সময় বা প্রতিবছর সেবা প্রদান কালে বা অন্য কোন অংশে ৬ মাসের অধিক কাজ করার সময় দুর্ঘটনার কারনে মৃত্যুর জন্য ৪৫ দিনের মজুরির সমান ক্ষতিপূরণ বা গ্রাচুইটি, যেটা অধিক হয়, তা প্রদান করতে হবে এবং মৃত শ্রমিক চাকরি থেকে অবসর গ্রহন করলে যে সুবিধাসমূহ পেয়ে থাকতেন, তাও এই পারিশ্রমিকের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: (শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১৯)

দুর্বলতা/অক্ষমতারসুবিধা

বেসরকারি খাতে শ্রমিকদের জন্য কোন অক্ষমতা সুবিধা নেই। শুধুমাত্র সরকারি খাতের শ্রমিকদেরকে অক্ষমতার জন্য সুবিধা প্রদান করা হয়ে থাকে।

সামাজিকনিরাপত্তারউপরনিয়মাবলীঃ

  • বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ / Bangladesh Labour Act 2006
  • সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন ২০২৩ / The Universal Pension Management Act 2023

সম্পর্কিতবিষয়গুলি

বেকারত্ব সুবিধা চুক্তি এবং বাতিলকরণ কর্ম এবং অসুস্থতা সম্মিলিত চুক্তির ডাটাবেজ
Related pages
কাজ এবং মজুরীক্ষতিপূরণ এবং কাজের সময়বার্ষিক ছুটি এবং ছুটির দিনচুক্তি এবং বাতিলকরণনোটিশ এর প্রয়োজনীয়তা / বিচ্ছেদ মজুরীপরিবারের দায়িত্বসমূহপ্রসূতি এবং কাজচাকরিচ্যুত / বরখাস্ত হওয়া থেকে সুরক্ষাদুধপান করানোর বিরতিকর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষাকর্ম এবং অসুস্থতাঅক্ষমতা/কাজে আহত হওয়ার জন্য সুবিধাসামাজিক নিরাপত্তাবেকারত্ব সুবিধাকর্মক্ষেত্রে নিরপেক্ষ / ন্যায্য ব্যবস্থাকর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিকাজের ক্ষেত্রে শিশুজোরপূর্বক / চুক্তিবদ্ধ শ্রমট্রেড ইউনিয়নের অধিকারবাণিজ্য ইউনিয়ন তথ্য
Cite this page: © WageIndicator 2026  –  বাংলাদেশ  –  পেনশনেরঅধিকার,সামাজিকসুরক্ষা - বাংলাদেশ
FacebookLinkedin
WageIndicator সম্পর্কে
WageIndicator দলের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আমাদের কাজ সম্পর্কে আরও জানুন।
আরও পড়ুন আমাদের সম্পর্কে পৃষ্ঠায় যান
arrow
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন যোগাযোগ ফর্মে যান
arrow
WageIndicator Logo
WageIndicator বাংলাদেশ
የሚሰሩ መረጃዎች
WageIndicator Foundation একটি বিশ্বব্যাপী, স্বতন্ত্র, অলাভজনক সংস্থা যা বিশ্বজুড়েন্যূনতম মজুরি, জীবননির্বাহ মজুরি, জীবননির্বাহ হার এবং জীবননির্বাহ আয়, চাকুরি ও বেতন, শ্রম আইন, যৌথ চুক্তি, গিগ ওয়ার্ক (Gig Work) এবং প্ল্যাটফর্ম অর্থনীতি (Platform Economy) সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, তুলনা এবং প্রচার করে। আমরা ২০০০ সালে যাত্রা শুরু করেছি এবং বর্তমানে ২০৮টি দেশ ও অঞ্চলে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
কর্ম ও তথ্য
ন্যূনতম মজুরি
জীবননির্বাহ মজুরি
স্যালারি চেক
শ্রম আইন
যৌথ চুক্তি
তথ্য ও সেবা
সর্বশেষ আপডেটসমূহ
প্রকল্পসমূহ
ইভেন্টসমূহ
সংবাদ
ህትመቶች
আমাদের সম্পর্কে
আমাদের পরিচয়
আমাদের সাথে কাজ করুন
আমাদের নীতিমালা ও পরিকল্পনা
প্রেস রুম
FacebookInstagramLinkedinYoutube
Privacy PolicyCookies StatementWebsite Terms & ConditionsAccessibilityPowered by the WageIndicator Foundation